সময় কলকাতা ডেস্ক : উদ্বেগ বাড়িয়ে, বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। গত 24 ঘন্টায় দেশে করোনার সংক্রমণ যথেষ্টই বেড়েছে। ফলে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন অনেকেই।
করোনা সংক্রমনের ফলে বিগত দুইবছরে দেশের অর্থনীতির হাল হয়েছিল বেহাল। টান পড়েছিল মধ্যবিত্তের ভাঁড়ারে। করোনার কারণে দেশের অর্থনীতির হাল ফেরানোর রাস্তা খুঁজতে গিয়ে যথেষ্ট নাজেহাল হয়েছিল দেশের তাবড় তাবড় অর্থনীতিবিদ। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে করোনার প্রভাবমুক্ত হয়ে দেশের জিডিপি সম্প্রসারিত হয়েছে ৮.৭পার্সেন্টে । যা বিগত গত ২২ বছরে সর্বোচ্চ। ফলে দেশের অর্থনীতি যখন আশার আলো দেখছে সেই সময় করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি আবার চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দিল্লি
ভারতে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৭১২ নতুন করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রেকর্ড করা হয়েছে যার ফলে মোট কোভিড-১৯ সংক্রমনের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৩১৬৪৫৪৪ । কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে তথ্য অনুসারে সক্রিয় সংক্রমনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯৫০৫টি। গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে ফলে কোভিড-১৯ এর কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৫২৪৬৪১জন।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুসারে,মোট সক্রিয় সংক্রমন শতাংশের বিচারে ০.০৪ শতাংশ । জাতীয় কোভিড-১৯ এর পুনরুদ্ধারের হার ৯৮.৭৪ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে ।গত ২৪ ঘন্টায় সক্রিয় কোভিড-১৯ এর কেস ১১২৩ টি রেকর্ড করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সূত্রে খবর দৈনিক সক্রিয়তা সংখ্যা শতাংশের বিচারে ০.৬০ শতাংশ । সাপ্তাহিক ভাবে বিচার করলে শতাংশের হার ০.৫৬ শতাংশ রেকর্ড করা হচ্ছে ।

অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গে করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের সংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গের সক্রিয় কোভিড-১৯এর সংখ্যা ৩৭৫জন।গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ৫৭ টি নতুন কোভিড-১৯ এর রিপোর্ট হয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরে।
গত ২৪ ঘন্টায় কোন মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি ।ফলে মৃত্যুর সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে নি। এখনো পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মৃত্যুর সংখ্যা ২১২০৪টি।পশ্চিমবঙ্গে এখনো পর্যন্ত কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ২০১৯৫০১ টি।এরই মধ্যে ২৯ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। তারা সকলেই কোভিড আক্রান্ত ছিলেন, ফলে সুস্থ হওয়ার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটেছে।১৯৯৭৯২২ জন এখনো পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ মুক্ত হয়েছেন ।নতুন করে যারা সংক্রমিত হয়েছেন অর্থাৎ ৩৭৫ জন ।৭৭৫৩ জনের রক্ত পরীক্ষা করার পরেই এই নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছে ।
শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয় ভারতবর্ষের একাধিক রাজ্যেই করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি ঘটছে। যদিও চিকিৎসকদের মতে এই সংক্রমণ কোভিড-১৯ অতি মাড়ির আফটার শক। অনেক বিশেষজ্ঞ সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন যে তৃতীয় ঢেউয়ের পরে চতুর্থ ঢেউ আসতে পারে রাজ্যে এবং দেশে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের বক্তব্য চতুর্থ ঢেউয়ের সম্ভব না এই মুহূর্তে নেই। তবে প্রতিটি মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। মাস্ক পরিহিত মানুষ রাস্তায় এখন দেখাই যায়না, করোনা সংক্রমনের ভয় কাটিয়ে উঠেছে মানুষ। কিন্তু মাস্ক বর্জন করে চললে আগামী দিনে করোনার সংক্রমণ আবার বাড়তে পারে বলেই মত চিকিৎসক মহলের।


More Stories
কলকাতা-হিমাচল সরাসরি ট্রেন চালু, বাংলা পর্যটকদের জন্য নতুন সুবিধা
“সুখেন্দু শেখরের পথ নিন, দল ও পদ ছেড়ে প্রতিবাদ করুন”
তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের ভাবমূর্তি সমূলে ধ্বংস করে বড় জয় বিজেপির