Home » ট্রেন লাইনে হাতি,চালকদের সতর্কতায় বিপর্যয় থেকে রক্ষা

ট্রেন লাইনে হাতি,চালকদের সতর্কতায় বিপর্যয় থেকে রক্ষা

সময় কলকাতা ডেস্কঃ ঘটতে পারত বড়সড় বিপর্যয়।পুনরাবৃত্তি হতে পারত ডুয়ার্সের রেলপথে বিন্নাগুড়ির বা চাপড়ামারির ঘটনার। ২০১০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মোরাঘাটে রেললাইন পার হতে গিয়ে ঝাঁজা এক্সপ্রেসের ধাক্কায় মারা যায় সাতটি হাতি। ২০১৩ সালের ১৫ ই নভেম্বর আবার সাতটি হাতি মারা পড়ে। একসঙ্গে সাতটি হাতির মৃত্যু৷ পাঁচটি পূর্ণবয়স্ক, দু’টি শাবক৷ সেই উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের শিলিগুড়ি-আলিপুরদুয়ার শাখা৷ চালসার কাছে জলঢাকা রেলসেতুতে ওঠার মুখে ডিব্রুগড়গামী কবিগুরু এক্সপ্রেসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় হাতির পালের সঙ্গে। কাকতালীয়ভাবে আবার সেই কবিগুরু এক্সপ্রেস একচুলের জন্য সংঘর্ষ এড়াল। প্রানহানি হতে পারত বেশ কিছু হাতির।

ডুয়ার্স রেলপথে বন্যপ্রাণীদের রক্ষায় রেলদপ্তর উদ্যোগী হয়ে নিয়েছে পাইলট প্রজেক্ট ।এবার দুই রেল চালকের সতর্কতার জোরে ট্রেনের সঙ্গে হাতিদের সংঘর্ষ এড়ানো গেল নাগরাকাটা জলঢাকা সেতু এলাকায়। সৌজন্য কবিগুরু এক্সপ্রেসের লোকো পাইলট এসএন এক্কা ও কো-পাইলট পিএস বিশ্বাস। উল্লেখ্য,গত তিনবছরে ট্রেনচালকদের সতর্কতায় হাতিদের মৃত্যু এসে শূন্যতে ঠেকেছে। বুধবার বিকেল ৪টা নাগাদ বিপর্যয় এড়ানোর পরে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ‘বুনোদের রক্ষায় রেল দপ্তর ও ট্রেনচালকরা সবসময়েই সতর্ক রয়েছেন। এদিনের ঘটনা ফের তা প্রমাণ করল। ট্রেনচালকদের এজন্য পুরস্কৃত করার ব্যবস্থাও চালু হয়েছে।’

রেল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উদয়পুর থেকে কামাখ্যাগামী কবিগুরু এক্সপ্রেসের দুই চালক যখন চাপরামারির জঙ্গল চিরে যাওয়া রেল পথে জলঢাকা সেতুর সামনে তখন দেখতে পান লাইনের ওপর একপাল হাতি শাবকসহ খেলে বেড়াচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা জরুরিকালীন ব্রেক কষে ট্রেনটিকে দাঁড় করিয়ে দেন। প্রায় মিনিট তিনেক ট্রেনটি দাঁড়িয়ে ছিল। এরপর হাতির পাল রেল লাইন ছেড়ে পাশের জঙ্গলে ঢোকে। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে ট্রেন নিয়ে গন্তব্যের দিকে যাত্রা করেন লোকো পাইলট এসএন এক্কা ও কো-পাইলট পিএস বিশ্বাস ।

About Post Author