Home » মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা

মাঙ্কিপক্স নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা

সময় কলকাতা ডেস্কঃ বিশ্বজুড়ে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তের সংখ্যা ১,০০০ ছাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই ‘হু’ এই ভাইরাসের সংক্রমণকে ‘প্রবল ঝুঁকিপূর্ণ’ মনে করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলিকে সতর্ক করে দিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ২৯ টি দেশ থেকে মোট ১০০০ জনেরও বেশি মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও, এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসের সংক্রমণে কোনও রোগীর মৃত্যু হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার ‘হু’-এর প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস এই ব্যাপারে একটি টুইট করে জানান, যে ২৯’টি দেশে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে, তারা যেন সমস্ত আক্রান্ত ও তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করে। পাশাপাশি সংক্রমণ ছড়ানো রুখতে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করারও আর্জি জানান তিনি। আগামীদিনে এই সংক্রমণ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তার জন্য মাঙ্কিপক্স প্রতিরোধের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগেও আফ্রিকার ৯’টি দেশের বাসিন্দাদের মধ্যে মাঙ্কিপক্স পাওয়া গেলেও গত মাসে বিশেষত ইউরোপের একাধিক দেশ থেকে মাঙ্কিপক্স সংক্রমণের খবর আসতে শুরু করে। তার মধ্যে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হওয়ার খবর সবথেকে বেশি আসে গ্রেট ব্রিটেন স্পেন ও পর্তুগাল থেকে।

উল্লেখ্য, গত ৭ মে লন্ডনে প্রথম নাইজেরিয়া ফেরত এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কি ভাইরাস পাওয়া গিয়েছিল। তারপর ইংল্যান্ড সহ ইউরোপের একাধিক দেশে ও আমেরিকায় এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। যদিও, মাঙ্কি পক্সের সংক্রমণ ঠেকাতে গবেষকরা ব্রিনসিডোফোভির নামক ওষুধটির কার্যকারিতা সম্পর্কে অনেকটা নিশ্চিত হলেও বিভিন্ন গবেষণার প্রয়োজন আছে বলেই মনে করছেন তাঁরা। পাশাপাশি গবেষকরা জানিয়েছেন, রক্ত এবং লালারসের নমুনা পরীক্ষা করলেই শরীরে মাঙ্কি পক্সের উপস্থিতি রয়েছে কিনা, তা বোঝা যাবে। যদিও চিকিৎসকদের মতে, ২ সপ্তাহের মধ্যেই এটি নিজে থেকেই সেরে ওঠে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। তবে প্রয়োজনে ওষুধের দরকার পড়ে। আক্রান্তের সর্দি, কাশি থেকে এই রোগ ছড়িয়ে যায়। এমনকি আক্রান্তের সঙ্গে অনেকক্ষণ মুখোমুখি কথা বললেও এই রোগ ছড়িয়ে যেতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমকামী ও উভকামী পুরুষদের যৌন চক্র থেকেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে বলেই ব্রিটেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আশঙ্কা।

About Post Author