সময় কলকাতা ডেস্কঃ শিল্পীর হাতে এক একটি কাঠের টুকরো এক একটি জীবন্ত প্রতিকৃতির রূপ পায়। পারিপার্শ্বিক প্রতিকূলতাকে এড়িয়েই নিজের ইচ্ছেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন বাঁকুড়ার অমল খাঁ। পেশা খবরের কাগজ বিক্রি করা কিন্তু তার নেশা অন্য জিনিসে।

শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা- বারো মাসই সকালে খবরের কাগজ নিয়ে বেরিয়ে পরেন তিনি। মানুষের বাড়ি বাড়ি এবং দোকানে দোকানে কাগজ বিক্রি করেন বাঁকুড়ার ইন্দাসের অমল খাঁ। কিন্তু, দুপুরে বাড়ি ফিরে কিছু খেয়েই বসে পড়েন কাঠ, ছেনি, হাতুড়ি ইত্যাদি কাঠ কাটার সরঞ্জাম নিয়ে। তারপর দুপুর গড়িয়ে বিকেল, বিকেল গড়িয়ে রাত, অমল খাঁয়ের হাত চলে সমানতালে। শিল্পীর হাতে এক একটি কাঠের টুকরো এক একটি জীবন্ত প্রতিকৃতির রূপ পায়। শিল্পীর হাতে হাতুড়ি-বাটালির মৃদু ঠুক ঠাকে প্রাণ পায় বিবেকানন্দ, গণেশ, সরস্বতী, লক্ষ্মী, মহাদেবের মতো দেব-দেবী এবং মহাপুরুষের মূর্তি। 
জানা গিয়েছে, প্রায় ১৫ বছর ধরে সংসারে অভাবের কারণে কাগজ বিক্রি করেন অমল খাঁ। কিন্তু, নিজের ইচ্ছেকে হার মানতে দেননি তিনি। শিল্পীর হাতের জাদুতে প্রাণ পায় কাঠ। অভাবের মাঝেও নিজের ইচ্ছেকে মরতে দেননি তিনি। কাঠের সরঞ্জাম তৈরি করে মানুষের ভালোবাসা এবং সামান্য অর্থ দুটোই উপার্জন করেছেন তিনি। কিন্তু, আর্জি একটু সরকারি সাহায্যের। তাঁর এই প্রতিভার প্রশংসা করেছেন স্থানীয়রাও। সবাই চান, তাঁর এই প্রতিভা পৌঁছে যাক রাজ্যের মানুষের কাছে।


More Stories
কলাগাছের ভেলায় স্কুলের পথে পাড়ি, ঘটতে পারে দুর্ঘটনা, নির্বিকার প্রশাসন
সর্প আতঙ্ক গ্রাস করছে ধূপগুড়িকে
আয়ুষ-দীপককে বুক দিয়ে আগলে রাখার প্রতিশ্রুতি আইসি সুবলের