সময় কলকাতা ডেস্ক :দাঁতের জন্য খ্যাত ভারতের প্রবীণ হাতি ভোগেশ্বরা আর জীবিত নেই। স্মৃতিমেদুর বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের দুঃখের দিনে তুলনীয় হতে পারত একটি প্রবাদ। সে এক সময় ছিল যখন মানুষ বলত মরা হাতির দাম লাখ টাকা। এখন তো আর লাখ টাকা দিয়ে বিরাট বিত্তশালী অবস্থা বোঝানো যায় না তাই মরা হাতির প্রবাদে সেরকম জোর নেই। তবে মারা যাওয়ার পরেও বান্দিপুর নাগারহোল রিজার্ভ ফরেস্টের হাতি ভোগেশ্বরার মূল্য কমতে পারে না।দাঁত সংরক্ষণ হবে, আইকন করা হবে তাকে। বনদপ্তরের চিন্তাভাবনা তেমনটাই।ভোগেশ্বরার দাঁত ছিল এশিয়ার মধ্যে বৃহত্তম।কর্নাটকের ৭০ বছর বয়সী প্রবীণ হাতির প্রয়াণে শোক বন্যপ্রাণী-প্রেমীমহলে।
সূত্রের খবর,বান্দিপুর-নাগারহোল রিজার্ভ ফরেস্টের কাবিনী জলাধারের কাছে ভোগেশ্বরা নামে রাজকীয় হাতিটিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। হাতিটি মিস্টার কাবিনী নামেও পরিচিত ছিল।হাতিটি যুগ যুগ ধরে পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করত তার দীর্ঘতম দাঁতের জন্য।

বনদপ্তর ভোগেশ্বরাকে হাতিদের সুরক্ষা ও সংরক্ষণের আইকন করার কথা ভাবছে।বিভাগটি প্রদর্শনী কেন্দ্রে হাতিটির দাঁত সংরক্ষণের অনুমতি নেওয়ার জন্যও চিন্তা করছে।তার একটি দাঁত ২.৫৪ মিটার (৮ ফুট) লম্বা এবং অন্যটি ২.৩৪ মিটার (৭.৫ ফুট)।উভয় দাঁত প্রায় মাটি স্পর্শ করত ।কাবিনী ব্যাকওয়াটারের কাছে ভোগেশ্বরা শিবিরের কাছে প্রায়ই পাওয়া যেত বলে হাতিটির ভোগেশ্বরা আর মিঃ কাবিনী নামকরণ হয়েছিল।


More Stories
গন্ডারের হামলায় জলদাপাড়ায় মৃত্যু বনদফতরের অস্থায়ী কর্মীর
বেজি কি সাপের বিষে কাবু হয় না?
এক সাথে পাঁচ সন্তানের জননী জ্বালা সম্পর্কে জেনে নিন, তার আবাস জানুন