সময় কলকাতা ডেস্কঃ ‘ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া একটি স্বশাসিত সংস্থা। কেন্দ্র কখনই হস্তক্ষেপ করতে পারেনা। কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্র সরকার একটি নতুন নির্দেশিকায় বলেছে এখন থেকে বন্যপ্রাণ সংক্রান্ত যাবতীয় গবেষণাপত্র বা তথ্য প্রকাশের সময় আগাম অনুমতি নিতে হবে কেন্দ্রের। এবার থেকে কেন্দ্রের পরিবেশমন্ত্রক ছাড়পত্র দিলে তবেই ওই সব গবেষণাপত্র ও তথ্য প্রকাশ করতে পারবে দেরাদুনের জাতীয় বন্যপ্রাণ প্রতিষ্ঠান। আর তাতেই ওয়াইল্ড লাইফ নিয়ে গবেষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
কেন্দ্রের এই তুঘলকি সিদ্ধান্তে গবেষকরা মনে করছেন এই নির্দেশিকা তাঁদের কাজের ওপর অযথা হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। সর্বোপরি তাঁদের স্বাধীনতা খর্ব করা হচ্ছে। কেন্দ্রের এই হটকারী সিদ্ধান্তে দেরাদুনের জাতীয় বন্যপ্রাণ প্রতিষ্ঠানের গবেষক-বিজ্ঞানীরা থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বন্যপ্রাণ কর্মীরা এনিয়ে ধন্ধে পড়েছেন ।
সূত্রের খবর গত ১৮ ই এপ্রিল কেন্দ্রের পরিবেশমন্ত্রক একটি চিঠিতে দেরাদুনের জাতীয় বন্যপ্রাণ সংস্থাকে জানিয়েছে, এখন থেকে বন্যপ্রাণ সম্বন্ধিত যে কোনও তথ্য প্রকাশের আগে কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রকের অনুমতি নিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের গবেষক-বিজ্ঞানীদের যাবতীয় গবেষণা লব্ধ খুঁটিনাটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আগে কেন্দ্রের অনুমতি নেওয়া আবশ্যিক।এই
দেরাদুনের জাতীয় বন্যপ্রাণ প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম সেরা সংস্থা। যেখানে গবেষকরা বন্যপ্রাণ এবং পরিবেশের উপর তার প্রভাব ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা করে থাকে।
‘ওয়াইল্ড লাইফ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার যাবতীয় জার্নাল কেন্দ্রের পরিবেশমন্ত্রকের সঙ্গে যৌথভাবেই প্রকাশ করা হয়। তাই সংস্থার বন্যপ্রাণ বিভাগের ডিন ওয়াই ভি ঝালা খানিকটা বিষ্মিত।’ তাঁর বক্তব্য, সরকার কী করতে চাইছে তা স্পষ্ট নয়। তারা খতিয়ে দেখছে অতীতের ইতিহাসে এই রকম কোন ঘটনা আছে কিনা।


More Stories
নেতাজি ইস্যু : অনন্ত মহারাজকে উন্মাদ আখ্যা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত!
প্রাকৃতিক বিপর্যয় : লাইফলাইন এনএইচ ৭১৭
চোখের রায়, বিদেশযাত্রার অনুমতি