Home » অতিবর্ষণে চওড়া হচ্ছে ফাটল, হেলদোল নেই প্রশাসনের

অতিবর্ষণে চওড়া হচ্ছে ফাটল, হেলদোল নেই প্রশাসনের

সময় কলকাতা ডেস্কঃ অতিবর্ষণের জেরে বেহাল পরিস্থিতি মালদহের। ক্রমশ জলস্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে ফুলহার নদীতে। জলের তোড়ে ভাঙতে শুরু করেছে নদীর পাড়। ইতিমধ্যেই নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে বিঘার পর বিঘা জমি। বুধবার রাতে হঠাৎই ভাঙ্গন লক্ষ্য করা যায় মালদহের মানিকচক ব্লকের মথুরাপুরের ভূতনি ব্রিজ এর নিচে শঙ্করটোলা এলাকায়। আর এই নদীর পাড় ভাঙ্গনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। একইসঙ্গে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,ক্রমশ ফাটল চওড়া হচ্ছে ফুলহার নদীর। যে কোনো সময়ই বড় বিপত্তি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। এদিন রাতেই ভাঙ্গনের ঘটনা জানতে পেরে তড়িঘড়ি এলাকা পরিদর্শন করেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। রাত থেকে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে ভাঙ্গন রোধের কাজ শুরু করেছে জেলা সেচ দপ্তর। আপাতত ভাঙ্গন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেই প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এই ভাঙ্গন রোধের কাজকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে বিরোধীরা। সঠিক সময়ে সঠিকভাবে নদী বাধের কাজ হলে এমন পরিস্থিতি হত না বলেই দাবি স্থানীয়দের।

এদিন রাতেই নদীর পাড় ভাঙ্গন পরিদর্শন করেন সিটু-র জেলা সম্পাদক দেবজ্যোতি সিনহা। রাজ্যের সরকার ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,‘বাঁধের কোনও খারাপ পরিস্থিতি হলে প্রশাসনকে ছেড়ে কথা বলা হবে না। বহু আগে এই বাঁধের দুর্বল অবস্থার কথা প্রশাসন সহ সরকারের জনপ্রতিনিধিদের বলা হয়েছে। তারপরও সঠিকভাবে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। মানুষকে বাঁচানোর কোন উদ্দেশ্য নেই সরকারের। রাজ্য সরকার বর্তমানে খেলা-মেলা নিয়েই ব্যস্ত। মানুষকে রক্ষার স্বার্থে সরকারের সহযোগিতা অবশ্যই প্রয়োজন।’

অন্যদিকে এদিন রাতেই ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন মানিকচক বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্রের প্রতিনিধি সমদ্বীপ সরকার। প্রশাসনিক কর্তদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানান, ‘জরুরি পরিস্থিতিতে যেভাবেই হোক এই ভাঙ্গন আটকানোর সব রকম পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

About Post Author