সময় কলকাতা ডেস্কঃ ক্রমশই জটিল হচ্ছে উত্তরবঙ্গের প্রাকৃতিক বিপর্যয়। গত কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টিতে কার্যত নাজেহাল উত্তরবঙ্গ। বিপদ সঙ্কেতের ওপর দিয়ে বইছে তিস্তা। পিছিয়ে নেই জলঢাকাও। বিভিন্ন জায়গায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। তারই মধ্যে লাগাতার বৃষ্টিপাতের জেরে গদাধর নদীর জলস্তরও বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দুদিনের ভারী বৃষ্টিপাত ও গদাধর নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় বাঁধের ভাঙ্গনে ঘুম উড়েছে প্রায় ২০০টি পরিবারের। এমনই বেহাল পরিস্থিতি কোচবিহারের তুফানগঞ্জ ১ নম্বর ব্লকের নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার।

জানা গিয়েছে,গদাধর নদীর ধারের একটি বাঁধের ওপরই নির্ভরশীল এলাকাবাসী। বাজার ঘাট থেকে শুরু করে চাষবাসের জন্য গদাধর বাঁধের ওপর দিয়েই যাতায়াত করতে হয় স্থানীয়দের। যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ, এ বিষয়ে প্রশাসনকে বারংবার জানানো হলেও কোনো সুরাহা মেলেনি। গদাধর নদীর জল বেড়ে গিয়ে বাঁধ ভাঙ্গায় কখন যে বাড়ি ছেড়ে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে হয় সেই আশঙ্কাতেই রাতের ঘুম কেড়েছে স্থানীয়দের।
অন্যদিকে বুধবার গদাধর নদীর বাঁধ ভাঙ্গন পরিদর্শনে আসেন তুফানগঞ্জ বিধানসভার বিজেপির বিধায়িকা মালতি রাভা রায়। স্থানীয় বাসিন্দারা নদীর বাঁধ ভাঙ্গন রক্ষার আবেদন জানান বিধায়কের কাছে। তিনি গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত নদী বাঁধ ভাঙ্গন রক্ষার কথাও জানাবেন বলে গ্রামবাসীদের আশ্বাস দেন বিধায়ক মালতির রাভা রায়। এহেন পরিস্থিতিতে বিধায়ককে পাশে পেয়ে একটু স্বস্তিতে গ্রামবাসীরা। তাঁরা রাজনীতি বোঝে না, শুধুমাত্র এই সমস্যার সুরাহা চায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশাতেই দিন গুনছেন গ্রামবাসীরা।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি