সময় কলকাতা ডেস্কঃগ্রামের নাম মহিয়াড়ি। সময়টা তিনশত বছর আগের । তখনও পৌরানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে হত রথযাত্রা। ছিল জমিদারিও। তারপর কালের নিয়মে সময় বদলেছে। ফাঁকা মাঠে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে বিশাল সব অট্টালিকা। শুরু হয়েছে আকাশকে ছুঁয়ে দেখার প্রবনতাও। কিন্তু বদলায়নি পুরনো সংস্কৃতির ধারা। তিনশ বছর ধরে এখনও সেখানে হয়ে আসছে রথযাত্রা। হাওড়ার সাঁকরাইল বিধানসভার ডোমজুড় থানার অন্তর্গত মহিয়াড়ি গ্রামের কথা।

একসময় জমিদার কুন্ডু চৌধুরী বাড়ির রথযাত্রার প্রেক্ষাপট ছিল এটি। উঁচু রথের উচ্চতা আধুনিকতার বেড়াজালে কমলেও তার ঐতিহ্য এখনও এতটুকুও কমেনি। জানা গিয়েছে বহু বছর আগে এই পরিবারের রথ কাঠের ছিল। তারপর হল লোহার। কিন্তু ইলেকট্রিকের তার ও টেলিফোনের তারের জন্য এই রথের উচ্চতা আরও কমে যায়। বর্তমান রথটি পনেরো বছর আগে তৈরি হয়েছিল।
মহিয়াড়ি কুন্ডু চৌধুরী বাড়ির বর্তমান প্রজন্মরা জানান এই রথ তৈরি করতে পঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। শুক্রবার এই রথযাত্রা হবে হাওড়ার ডোমজুড়ের মহিয়াড়িতে। সেখানে গেলে দেখা যাবে একটুকরো প্রাচীন ঐতিহ্যের স্মৃতি। যেখানে প্রাচীনত্ব কথা বলে। এখনও সেখানে সাজো সাজো রব। ইতিমধ্যেই এই রথযাত্রা ঘিরে মানুষের মধ্যে প্রতি বছরের মত উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেকেই চাই এই রথযাত্রার মাধ্যমে পুরনোকে একবার ছুঁয়ে দেখতে।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?