সময় কলকাতা ডেস্ক: আজ আন্তর্জাতিক প্লাস্টিকমুক্ত দিবস। প্লাস্টিক, পলিথিন ও পলিইথাইলিন বা পলিপ্রপাইলিন দিয়ে তৈরি দ্রব্যের ক্ষতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রতিবছর বিভিন্ন দেশে এই দিনটি পালন করা হয়।
স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও পরিবেশবাদীদের মতে, পলিথিন অপচশীল পদার্থ হওয়ায় দীর্ঘদিন প্রকৃতিতে অবিকৃত অবস্থায় থেকে মাটিতে সূর্যালোক, জল ও অন্যান্য উপাদান প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে। তা পচে না বলে মাটির উর্বরতা শক্তি কমে ও উপকারী ব্যাকটেরিয়াদের বিস্তারে বাধা তৈরি করে।
এছাড়া পলিথিন মোড়ানো গরম খাবার খেলে মানুষের ক্যানসার ও চর্মরোগের সংক্রমণ হতে পারে। পলিথিনে মাছ ও মাংস প্যাকিং করলে তাতে ব্যাকটেরিয়ার সৃষ্টি হয়, যা দ্রুত পচনে সহায়তা করে।
উজ্জ্বল রঙের পলিথিনে রয়েছে সীসা ও ক্যাডমিয়াম, যার সংস্পর্শে শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও চর্মপ্রদাহের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় আমরা প্লাস্টিক না পুড়িয়ে জলাশয়, নদী, সমুদ্রে ফেলে দিই। তার ফলাফল হয় আরও ভয়ানক। সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্র এই ধরনের কাজের ফলে ভয়াবহ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নানা সামদ্রিক প্রাণী ভুল করে প্লাস্টিক খেয়ে ফেলছে। এতে তাতে তাদের মৃত্যুও ঘটছে।

এত কিছু জানা সত্ত্বেও নানা উদ্যোগ নিলেও বাস্তব এটাই প্লাস্টিকমুক্ত জীবন গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। আমাদের মতো একটি বিপুল জনবসতিপূর্ণ দেশে যেখানে প্রতিদিন বহু টন প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হচ্ছে সেখানে আজ পর্যন্ত কোনও প্লাস্টিক নষ্ট করার পরিবেশবান্ধব বন্দোবস্ত গড়ে ওঠে নি। প্লাস্টিক পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও আমরা অন্তত কমানোর অঙ্গীকারটুকু তো আজকের দিনে দাঁড়িয়ে নিতে পারি।


More Stories
গ্রেফতার অজি ক্রিকেট তারকা ওয়ার্ণার
মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ : মার্কিন -ইজরায়েল হানায় খামেনির আহত স্ত্রীর মৃত্যু
আয়াতুল্লাহ খামেনি কি নিহত?