সময় কলকাতা ডেস্কঃ ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় শুধু বাঙালি নয় ভারতীয় বিবাহ নামক প্রথায় বিয়ের পর মেয়েদের পদবি বদলায় এটাই নাকি শাস্ত্রীয় নীতি। আসল সত্যটা হল স্ত্রীর প্রতি পুরুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই পদবি পরিবর্তনের এই প্রথা। সুদীপ দাসের এই নতুন ছবি ‘কুলের আচার’ এই পদবি বদলের এক কিসসা নিয়েই তৈরি।
ছবিটির মূল চরিত্রে রয়েছেন বিক্রম এবং মধুমিতা। দু’জনেই আধুনিক মনষ্ক তরুণ-তরুণী। তাদের বিয়ের পর পদবি বদলাতে চায় না মিঠি। এই সিদ্ধান্তে তাঁর স্বামী প্রীতমেরও সায় রয়েছে। কিন্তু মিঠির শাশুড়ি মিতালি হঠাৎই সিদ্ধান্ত নেন তিনিও এত বছর পরে আবার পুরনো পদবি ব্যবহার করবেন। সেখান থেকেই শুরু যাবতীয় বিপত্তি।

শেষপর্যন্ত পরিচালকের বক্তব্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। পদবি বদলটা বড় কথা নয়, আসল কথা হল পারস্পরিক সমঝোতা, ভালবাসা ও বোঝাপড়া। স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের মধ্যে নিজেদের খুঁজে পেলেই সংসার সুখের হয়, পদবি বদল করে নয়। এই ছবিতে মধুমিতার শাশুড়ির চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইন্দ্রানী হালদার। সিচুয়েশনগুলো সুন্দর ভাবে কাজে লাগিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে চরিত্রগুলিকে। সপরিবারে বসে দেখার মতো একটি ছবি ‘কুলের আচার’।


More Stories
প্রয়াণে শ্রদ্ধার্ঘ্য, হা হা করে হাসি ও কুশিক্ষা
দানবীর রাজপাল যাদব কার কাছে ধার নিয়ে শোধ না দিতে পেরে জেলে? কবে ছাড়া পেতে পারেন রাজপাল?
ধুরন্ধর অভিনেতা নাদিম খান প্রলোভন দেখিয়ে সহবাসে অভিযুক্ত