Home » গোঁফেও সুন্দরী রমণী

গোঁফেও সুন্দরী রমণী

সময় কলকাতা ডেস্কঃ কে বলে নারী গোঁফে সুন্দরী নয় ? ‘আমার চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো’, রবি ঠাকুরের এই কবিতায় যে ভাববাদ প্রকাশ পেয়েছে সৌন্দর্যের ক্ষেত্রেও এরুপ প্রযোজ্য। চিরাচরিত প্রথা মেনে নারী শরীরে গোঁফ থাকাটা বিকৃতি পূর্ণ হলেও, এটা কখনই সৌন্দর্যের মাপকাঠি হতে পারেনা। কে বলেছে নারী মানেই এক চিরাচারিত প্রথা মেনে তাকে নিজের সৌন্দর্য প্রকাশ করতে হবে? হরমোনের তারতম্যের কারণে মহিলা শরীরে অনেক সময়ই গোঁফ দেখা গেলেও বহু পদ্ধতিতে তা নির্মূল করা হয়। তবে এই চিরাচরিত মনভাবকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে নিজের বড় গোঁফের নজির গড়লেন কেরলের তরুণী।

নাম শৈজা। বয়স পঁয়ত্রিশ। ছোটবেলা থেকেই নাকের নিচে গোঁফের রেখা ছিল তাঁর। বছর পাঁচেক আগে থেকেই তা যথেষ্ট বড় হয়ে যায়। তবে তাঁর জন্য কোনওরকম হীনমন্যতায় ভোগেননি তিনি। যখন কোন মহিলার মুখে কোনও ধরণের গোঁফ দেখা যায়, তা মজার বিষয় হয়ে ওঠে সবার কাছে। কিন্তু সেসবকে মোটেই পাত্তা দেন না শৈজা। গোঁফ নিয়ে যথেষ্ট খুশি বলেই জানান তিনি।

 

নিজেকে সুন্দর দেখাতে, রোজ ফেসিয়ালও করেন। গোঁফ নিয়ে হাসাহাসি হলেও শৈজা তাতে কান দিতে নারাজ। করোনার সময় মুখে মাস্ক পড়তেও ভাল লাগতনা শৈজার, কারন মুখ দেখা যাবেনা বলে। তিনি জানান, গোঁফ ছাড়া বাঁচার কথা ভাবতেই পারেন না।

About Post Author