Home » সেঞ্চুরি করেও প্রাণশক্তিতে ভরপুর ইন্দাসের বৃদ্ধা

সেঞ্চুরি করেও প্রাণশক্তিতে ভরপুর ইন্দাসের বৃদ্ধা

সময় কলকাতা ডেস্ক :

“বয়স একটি সংখ্যামাত্র ” – প্রমাণ করে ১০৭ বছর বয়সেও জীবনীশক্তিতে ভরপুর ইন্দাসের অমলা দে আজও নেচে ওঠেন গানের তালে তালে, আনন্দ আর সুস্বাস্থ্য ঘিরে রেখেছে তাঁকে।

মনকে সবুজ রাখলে আর শরীর সুস্থ রাখলে বয়স একটা সময় এসে থমকে যায়।” বড় হও, বুড়ো হয়ো না” কথাটির সার্থক প্রতিফলন বাঁকুড়ার ইন্দাসের অমলা দের মধ্যে। সাত বছর আগেই বয়সের সেঞ্চুরি পার করে এসেছেন তিনি। স্বামী বহুদিন হল পরলোকগত, এমনকি পাঁচ ছেলে তিন মেয়ের অনেকেই ইহলোকের মায়া কাটিয়েছেন। জীবিত বড় ছেলের বয়স আশি পেরিয়েছে। মন ও স্বাস্থ্যকে ভেঙে পড়তে দেন নি তিনি। জীবনে অমৃত কুম্ভের সন্ধান পেয়েছেন, তাই কৃষ্ণনামের সঙ্গে সঙ্গে শরীর দোলান আজও।ফ্রী হ্যান্ড একসারসাইজ ও শারীরিক কসরৎ যেন মিশে যায় তাঁর নাচের মধ্যে। মুহূর্তের মধ্যে উধাও হয়ে যায় তাঁর শারীরিক বয়স। মনকে সবুজ রেখে ঘুরে বেড়ান ইন্দাসে তাঁর গ্রাম, তাঁর পাড়ায়। সব বয়সের নারী পুরুষের সাথে হাসি আর আড্ডায় মাতেন। রোগ ব্যাধির বালাই নেই, চোখ – কান সজাগ, দন্তহীন মুখে গল্প গুজব লেগেই আছে। দেখেছেন অনেক তবুও যেভাবে নিজেকে সজীব রেখেছেন তাতে দেখে যেতে চান আরও অনেক কিছুই আর বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আমৃত্যু সুস্থ থাকতে চান।গোবিন্দ, হরি, কৃষ্ণ আর রাধা নামের সঙ্গে মনের মাধুরী মিশিয়ে নৃত্য ও গানে তাঁর ঈশ্বর প্রেম প্রকৃতঅর্থে জীবনের জয়গান।

জীবন একটাই আর সেখানে মৃত্যু চেতনা যেন গ্রাস না করে অস্তিত্বকে।অমলা দে যেভাবে জীবন সাগরে ডুব দিয়ে বোঝাতে পেরেছেন বাঁচার আনন্দকে তা প্রেরণা হতে পারে প্রতিটি মানুষের।সংযমী জীবন আর উৎফুল্ল মনকে রসদ করে তাই তিনি কৃষ্ণকীর্তনের সঙ্গে নেচে ওঠেন মহানন্দে,১০৭ বছর বয়সেও।।

About Post Author