সময় কলকাতা ডেস্কঃ ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ নিয়ে বিরোধিতা এতটাই তুমুল ছিল, যে রাশিয়া সেই মর্মে যুদ্ধের রাস্তা বেছে নিতেও দ্বিধাবোধ করেনি। মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সেই পরিস্থিতির মাঝেই নতুন করে ইউরোপের অন্য দুই দেশ সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্তির অনুমোদনপত্রে সই করে দিয়েছেন রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের মাঝে পশ্চিমী দেশগুলির এই সংগঠনে ফিনল্যান্ড ও সুইডনকে সামিল করার পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এই দুইটি দেশ ন্যাটোকে আরও ‘শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য ও সক্ষম’ করে তুলবে, দাবি জো বাইডেনের।
অগাস্টের শুরুতেই নর্ডিক রাষ্ট্রগুলির যোগদানকে সমর্থন জানিয়ে মার্কিন সেনেটে ৯৫ জন ভোট দিয়েছিলেন। সেনেটের ১ জন সদস্য শুধুমাত্র এই যোগদানের বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। ৩০ সদস্যের ন্যাটোর মধ্যে ২৩ তম স্থানে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন এবং অনুমোদন প্রয়োজন ছিল সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে সু-সম্পর্ক গড়ে তুলতে উদ্যোগী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাই ন্যাটোকে ‘আমেরিকার নিরাপত্তার ভিত’ হিসেবে ধরেই অনুমোদনপত্র সইয়ের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরও বলেন, ‘আমেরিকা ট্রান্স আটলান্টিক জোট নিয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’।

অবশ্য এই প্রসঙ্গে ফের বাইডেনের নিশানায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পুতিনের কারণেই ইউরোপের শান্তি ও নিরাপত্তার পরিবেশ বদলেছে। এই অভিযোগের পাশাপাশি হোয়াইট হাউজের তরফে আরও জানানো হয়েছে, অনুমোদনপত্র সই করার আগে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন এবং ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিসটোর সঙ্গে ফোনে প্রাথমিকভাবে আলোচনা চলেছে। দেশগুলির নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত যে কোনও ধরনের হুমকির বিরুদ্ধে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সঙ্গে একসঙ্গে থেকে কাজ করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।


More Stories
নাবালক ছাত্রের সঙ্গে যৌ*ন মিলন , গ্রেফতার হাইস্কুল শিক্ষিকা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?
সীমান্তে চ্যাংড়াবান্ধায় জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের পরই শুরু মাপজোক