Home » রূপচাঁদ পাল : খ্যাতি -অখ্যাতি

রূপচাঁদ পাল : খ্যাতি -অখ্যাতি

সময় কলকাতা ডেস্ক : রূপচাঁদ পালের জন্ম ১৯৩৬ সালের ডিসেম্বর মাসে। স্বাধীন দেশে সংসদীয় রাজনীতির কেন্দ্রে উঠে আসার আগে তিনি ছিলেন মূলত শিক্ষার বৃত্তে।উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত মানুষটি পেশায় ছিলেন অধ্যাপক। মগরার বাগাটি শ্রী গোপাল ব্যানার্জি কলেজে অধ্যাপনা শুরু। পরে তিনি নৈহাটির ঋষি বঙ্কিম কলেজে অধ্যাপনার কাজে যোগ দেন ।অধ্যাপনা ক্ষেত্রের পরিচিতির চেয়ে তাত্ত্বিক বাম নেতা হিসেবেই তাঁর ছিল সম্যক পরিচিতি।তাঁর প্রয়াণে একটি যুগের অবসান ঘটেছে ।

 

যৌবনেই বাম রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে পড়েন।পরে দলের কাজেই জড়িয়ে রাখেন নিজেকে , অধ্যাপনা আর করতেন না। পঞ্চাশ দশকের শেষ দিকে অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেছিলেন। ১৯৮০ সালে প্রথমবার হুগলির সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন।পরবর্তীতে ১৯৮৯,১৯৯১,১৯৯৬, ১৯৯৮,১৯৯৯,২০০৪- লোকসভা নির্বাচনে হুগলি থেকে জেতেন।২০০৯ সালে রত্না দে নাগের কাছে হেরে যান।

রুচিবান, সংস্কৃতিসম্পন্ন মানুষ হিসেবে তাঁর পরিচিতি ছিল। তাত্ত্বিক নেতার মানবিক গুন প্রশংসিত হয়েছে বিভিন্ন সময়। মিতভাষী মানুষটি ক্ষমতার অলিন্দে থাকার সময়ও কখনও কটু কথা বলতেন না। বিশেষ বিতর্কে জড়ান নি। একমাত্র চুঁচুড়া রবীন্দ্রনগরের দুষ্কৃতী টোটন বিশ্বাসের উত্থান কে ঘিরে  বামপন্থী নেতা রূপচাঁদ পালের নাম উঠে এসেছিল বিতর্কে।২০১৫ সালে তৃণমূল নেতা তপন দাসগুপ্ত সরাসরি অভিযোগ করেছিলেন টোটনকে ফুটবল জগত থেকে ক্রাইম পলিটিক্সে টেনে এনেছিলেন রূপচাঁদ পাল। রাজনীতিতে অভিযোগ -পাল্টা অভিযোগ থাকলেও রূপচাঁদ পাল ছিলেন হুগলি তথা পশ্চিমবঙ্গের বাম রাজনীতিতে এক আলোচিত অধ্যায়। সাতবারের সাংসদের প্রয়াণ সেই অধ্যায়ের অবসান।।

About Post Author