সময় কলকাতা স্পোর্টস ডেস্ক : কয়েক ঘন্টা বাকি, উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে ইস্টবেঙ্গল – মোহনবাগান ম্যাচ ঘিরে। দীর্ঘ দিন পরে কলকাতার মাঠে মুখোমুখি টক্কর। কোচ দুজন ভারতে নতুন নন, কিন্তু ডার্বিতে নতুন। কী হবে এই ম্যাচের ফল? জানতে অপেক্ষা করতে হবে রবিবার সন্ধ্যে ছটা থেকে শুরু করে উত্তেজনামুখর নব্বই মিনিট।
১৩১ তম বছরে পা দিয়েছে ডুরান্ডকাপ। লাল হলুদ বা সবুজ মেরুণ দুই দলই ১৬ বার ডুরান্ড কাপ করে জিতেছে। যদিও এবারের ডুরান্ড কাপে দুটি করে ম্যাচ খেললেও জয় অধরা দু দলের কাছেই।দুদলই গাঁটছড়া বেঁধেছে অন্য সংস্থার সঙ্গে, তাতে কী? কলকাতা আছে কলকাতাতেই। ইলিশ-চিংড়ির মাঠের লড়াই কমতে পারে কি? টিকিটের চাহিদা তাই আকাশছোঁয়া। সাবেক মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ড কাপে আগে ১৯ বার মুখোমুখি হয়েছে। মোহনবাগান ৬ বার জিতেছে, ইস্টবেঙ্গলের জয় ৮ বার আর ড্র পাঁচবার। অবশ্য মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো বলছেন, অতীত দেখে লাভ নেই। রবিবার ডার্বি জেতার বিষয়ে তাঁরা আত্মবিশ্বাসী। মোহনবাগানের বেশ কিছু খেলোয়াড় দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলছেন। জনি কাউকো বা হুগো বুমোসের মত বেশ কিছু কোয়ালিটি ফুটবলার আছেন যারা যেকোনো সময় ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন। ইস্টবেঙ্গল এখনও তাদের টিম গুছিয়ে নিতে পারে নি। অধিনায়ক সুহের ও যে সম্পূর্ণ সুস্থ তাও নয়। লাল হলুদের বিদেশিরা কলকাতা মাঠে নতুন। ফলে চোখ বন্ধ করে বলা যায় কাগজে কলমে এগিয়ে মোহনবাগান। আর তাই হয়তো লাল হলুদ কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইন তাঁর অল্প বয়সী ও ডার্বিতে অনভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের চাপ কাটাতে বলছেন, একটা পরাজয়ে সব কিছু শেষ হয়ে যাবে না।
তবে মাঠের লড়াই যখন মাঠেই হবে আর ম্যাচ যখন ইস্ট-মোহনের তখন ম্যাচের পারফর্ম্যান্স আর নব্বই মিনিটের টেম্পারেমেন্টই শেষ কথা বলবে। আপাতদৃষ্টিতে মোহনবাগান অনেকটাই এগিয়ে থাকলেও এম্যাচের আগাম ফল বলা খুব কঠিন। এম্যাচেই যে নতুন তারকা আত্মপ্রকাশ করবেন না তাই বা কে বলতে পারে? আত্মবিশ্বাসী মোহনবাগান সমর্থকদের পাশাপাশি আশায় বুক বাঁধছেন লাল হলুদ সমর্থকরাও।


More Stories
গ্রেফতারির ভয়ে আগাম জামিনের আবেদন অরূপ বিশ্বাসের
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন
ইউনিটি কাপ থেকে শূন্য হাতে ফিরছে ভারত