সময় কলকাতা ডেস্ক : আলাউদ্দিন পেশায় রাজমিস্ত্রি। স্ত্রী গর্ভবতী, সন্তান প্রসব আসন্ন। তাই ভিনরাজ্যে রাজমিস্ত্রির কাজ বন্ধ রেখে সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার গীধগ্রামে ফিরেছিলেন যুবক আলাউদ্দিন । হঠাৎ শুক্রবার রাতে গীধগ্রাম থেকে নিজেই কাটোয়া হাসপাতালে চলে যান তিনি, নার্সিং স্টাফকে বলেন খুব যন্ত্রনা ও অস্বস্তি হচ্ছে মলদ্বারে।তিনি এও বলেন রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

জানা যায় একটি টর্চ পায়ুদ্বার দিয়ে ছ ইঞ্চি ঢুকে গেছে তাঁর। কীভাবে টর্চ গুহ্যদ্বার দিয়ে ঢুকল জিজ্ঞেস করতেই একেকবার একেকরকম কারণ বলতে থাকেন আলাউদ্দিন। কখনও বলেন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন, শয়তান এসে টর্চ ঢুকিয়ে যায় গোপন অঙ্গে।আবার কখনও বলেন খাট থেকে পড়ে বিপত্তি হয়েছে। আবার এও বলেন কোষ্ঠকাঠিন্যর অসুবিধে থেকে মুক্তি পেতেই টর্চের সাহায্য নিয়েছিলেন। তবে ক্রমাগত রক্তপাত হয়ে চলছিল। আল্ট্রাসোনোগ্রাফিতেও বোঝা যায় খুবই খারাপ জায়গায় আটকে আছে টর্চ।

যাইহোক,যুবক টর্চ কেন ঢুকিয়েছিলেন না বললেও কাটোয়া হাসপাতালের শল্য চিকিৎসকরা হাতে হাত রেখে বসে থাকেন নি । তারা ‘প্ল্যানড ওটি” র সময় না পেলেও শল্য চিকিৎসকরা দ্রুত অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা নেন । জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাপস সরকার অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিয়ে খুবই দক্ষহাতে টর্চ বের করে আনেন। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন যুবক। চিকিৎসকদের মতে এরকম ঘটনা তাঁদের দেখা ছিল না এবং বিরল অস্ত্রোপচারের তাঁরা সাক্ষী। এলাকার মানুষ বলছেন যুবক মানসিক অবসাদের শিকার।তবে যুবক যে কিছু গোপন করছেন, তেমনটাই মনে করছেন চিকিৎসকরা।


More Stories
সাত-বউ, পাঁচটি রাজপ্রাসাদ শ্রীরামপুরের কাউন্সিলর টাইগারের!
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন