সময় কলকাতা ডেস্ক: চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে দিল্লি এসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে এসেছেন তিনি। সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে ভারতের রেল ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা বিক্রম এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান অভ্যর্থনা জানান। আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী সোজা চলে যান হোটেল আইটিসি মাওরায়। শেখ হাসিনার এ সফর ঘিরে বিপুল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে দিল্লিতেও। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও বাংলাদেশের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেখ হাসিনার এ সফরকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।
এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ বিমানের ভিভিআইপি ফ্লাইটে উঠেছেন ১৭০ সফরসঙ্গী। তাদের মধ্যে দেশের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, শীর্ষ কূটনীতিক ও ব্যবসায়ীরা রয়েছেন।
এই সফরে ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্র তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। ভারত বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক জোনে যৌথ প্রতিরক্ষাসামগ্রী উৎপাদনে একটি কাঠামো নির্মাণ চুক্তির জন্য জোর দিচ্ছে। অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরির বিষয়ে এই চুক্তিকে ভারত অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছে দিল্লির কূটনৈতিক সূত্র। য়দিও তিস্তার জলবণ্টন চুক্তির বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

জানা গিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সরবরাহ ও সহযোগিতার জন্য দিল্লিকে প্রস্তাব দেবে ঢাকা। এ বিষয়ে ভারতের সম্মতি পাওয়া গেলে সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে ভারত বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বুঝে নিতে পারবে। প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরে কুশিয়ারা নদীর জল ব্যবহারসহ ছয়টি নদীর জলবণ্টন-বিষয়ক সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতা স্মারক সইয়ের কথা রয়েছে। এ ছাড়া দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সেপা চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য যৌথ ঘোষণা করার কথা রয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর।


More Stories
যুদ্ধের জাঁতাকলে ভারত
আবার বিজয়ী, ইতিহাস গড়ল ভারত
নাশকতার ছক : রাজধানীতে বিস্ফোরণের আশঙ্কা , জারি হাই অ্যালার্ট