Home » পুজোর আগে ডুয়ার্সে শুরু জঙ্গল সাফারি

পুজোর আগে ডুয়ার্সে শুরু জঙ্গল সাফারি

সময় কলকাতা ডেস্কঃ পর্যটন প্রেমীদের জন্য সুখবর। শুক্রবার থেকেই খুলে দেওয়া হল ডুয়ার্সের জাতীয় উদ্যান ও অভয়ারণ্যগুলি। চালু থাকবে জিপ ও হাতি সাফারি। পুজোতে পুরোদমে “ওয়াইল্ড লাইফ” দর্শনের রোমাঞ্চকর স্বাদ পূরণে সচেষ্ট থাকছে বন দফতর। পাশাপাশি, জঙ্গলের ভিতর যাতে কোনওভাবে নোংরা,আবর্জনা না ফেলা হয় তার জন্য বাড়ানো হচ্ছে নজরদারি। তবে জঙ্গলের ভিতরে ড্রোন নিয়ে প্রবেশ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

করোনা অতিমারির কারণে গত দুই বছর পর্যটন ব্যবসা মার খাওয়ার পর এবছর পুজোর মধ্যে আশার আলো দেখছেন জলপাইগুড়ি ট্যুর অপারেটর ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। এদিন পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে উত্তরবঙ্গের বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প, চিলাপাতা ও জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান। এখন থেকে পর্যটকেরা জিপ সাফারি এবং হাতি সাফারি করতে পারবেন। তবে জিপ সাফারি রুটের কিছু রাস্তা সংস্কারের কাজ চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে এডিএফও। পর্যটকেরা যাতে জঙ্গলকে নোংরা না করেন, ড্রোন সহ নিষিদ্ধ সামগ্রী নিয়ে যাতে জঙ্গলে প্রবেশ না করতে পারে কেউ তার জন্য নজরদারির পাশাপাশি চেকিং-এর ব্যাপারেও জোর দেওয়া হবে বন দফতরের পক্ষ থেকে।

জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে হাতি সাফারির জন্য এবার হাতির সংখ্যাও বাড়িয়ে দিয়েছে বন দফতর। সাফারির জন্য জলদাপাড়ায় আগে ছিল তিনটি হাতি। এবছর বাড়তি পর্যটকের কথা মাথায় রেখে সাফারির জন্য আরও একটি হাতি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই জঙ্গলের রিসর্ট, লজ, হোমস্টেগুলি সাফসুতরো করে নতুন করে সেজে উঠেছে। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ছ’টি ইকো কটেজের মধ্যে হর্নবিল, ধুপঝোড়া এবং মূর্তি খোলা থাকবে। বাকি তিনটি রাইনো ক্যাম্প, কালিপুর এবং পানঝোড়ায় সংস্কার করা হচ্ছে।

প্রতি বছর জুন মাসের ১৫ তারিখ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আবার সেপ্টেম্বর মাসের ১৬ তারিখ খুলে দেওয়া হয়। তবে এবছর জঙ্গল খুলে দেওয়ার বিয়ষটি একটু অন্য মাত্রাই পাচ্ছে পর্যটন ব্যবসায়ী বা ট্যুর অপারেটরদের কাছে।

About Post Author