সময় কলকাতা ডেস্কঃ মাল নদীতে হড়পা বানে তলিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। শুক্রবার সকালে দুর্ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখলেন বিজেপির ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল। ছিলেন বিধায়ক মনোজ টিগ্গা, শংকর ঘোষ, দীপক বর্মন, জলপাইগুড়ির সভাপতি বাপি গোস্বামী-সহ মোট ৯ জন। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে কথাও বললেন তারা। এই পরিদর্শনের পর একটি রিপোর্ট তৈরি করে তা শীর্ষ নেতত্বকে পাঠাবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।আজই কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলও যাবে মালবাজারে।
একসঙ্গে প্রচুর প্রতিমার নিরঞ্জন। প্রচুর ভিড়। মাত্র ৮জন সিভিল ডিফেন্স কর্মী ছিলেন বিসর্জনের সময়। চারিদিকে শুধুই শয়ে শয়ে মানুষের মাথা। বেশ কয়েকটা প্রতিমা নিরঞ্জন প্রায় হয়েই গিয়েছিল। ঠিক সেই সময়ই প্রকৃতির রুদ্ররূপের কাছে আরও একবার হার মানতে হল মানুষকে। মাল নদীতে আচমকাই জল বাড়তে শুরু করে। ধীরে ধীরে জলস্রোত বৃদ্ধি পায়। পাহাড়ের উপর থেকে ধেয়ে আসে হড়পা বান। হড়পা বানে ভেসে যান বহু মানুষ। ভেসে যায় বেশ কিছু প্রতিমা শুদ্ধ নিরঞ্জনের ট্রাক, সহ মানুষ। নীরব হয়ে দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের।হরপা বানে তলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। সেই ঘটনায় প্রথম থেকেই পুলিশ ও প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি।

স্বাভাবিক বন্যার সঙ্গে হড়পা বানের পার্থক্য কোথায়? কেনই বা আসে হড়পা বান? কেন আগাম প্রস্তুতি নেয়নি প্রশাসন? হাজার হাজার মানুষের জমায়েতে কেন মাত্র ৮ জন সিভিল ডিফেন্সের কর্মী ছিলেন? কেন অ্যাম্বুল্যান্সের বন্দোবস্ত ছিল না? এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে এই প্রশ্নগুলি থেকেই যাচ্ছে।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী