সময় কলকাতা ডেস্কঃ আবগারি দুর্নীতি মামলায় মণীশ সিসোদিয়াকে তলব করেছিলেন সিবিআই। সেই মতো সোমবার দিল্লির সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন মণীশ সিসোদিয়া। এদিন তাঁকে প্রায় ন’ঘণ্টা ধরে ম্যারাথন জেরা করে তদন্তকারী আধিকারিকরা। এরপর রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতর থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। তারপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘আম আদমি পার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য জোর দেওয়া হয়েছে। এমনকী দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদেরও অফার করা হয়েছিল। কিন্তু বিজেপির সেই ‘অপারেশন লোটাস’ সফল না হওয়ায় তাঁকে গ্রেফতারের ছক কষা হচ্ছে।’ যদিও সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়েছে।
কিছুদিন আগেই মণীশ সিসোদিয়ার বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি নিয়ে মুখ খোলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। উপ মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে কিছু উদ্ধার না হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে গ্রেফতার করার জন্য সিবিআই-এর উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী । তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অভিযোগেই সিসোদিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালান সিবিআই। যদি কেলেঙ্কারি হয়েই থাকে তবে কেন সিসোদিয়াকে গ্রেফতার করা হল না, তা নিয়েও সেসময় প্রশ্ন তোলেন তিনি। এদিকে সিবিআই তলব নিয়ে সুর চড়িয়েছে আম আদমি পার্টি।

জানা গিয়েছে, সিবিআইয়ের এফআইআর-এ মণীশ সিসোদিয়া সহ ১৫ জনের নাম রয়েছে। ১১ পাতার এফআইআরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ভুয়ো অ্যাকাউন্টের নথি পাওয়া গেছে বলে দাবি সিবিআইয়ের। কিছুদিন আগেই মণীশের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআর নিয়ে ইডির আধিকারিকরা উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেন। সেখানেই তদন্ত শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। মণীশের বিরুদ্ধে সিবিআই যে ধারাগুলিতে মামলা দায়ের করেছে, তারমধ্যে দুটি ধারা ইডির প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-এর অধীনে তদন্তের অধীনে পড়ে। সেগুলি হল, ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০-বি এবং ৪৭৭। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৭ নম্বর ধারার মামলা দায়ের হয়েছে।


More Stories
আক্রান্ত হলেন ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে
ভারতে তেলের দাম কি কমছে?
কলকাতা-হিমাচল সরাসরি ট্রেন চালু, বাংলা পর্যটকদের জন্য নতুন সুবিধা