Home » জোকা-তারাতলা মেট্রোর নিরাপত্তা খতিয়ে দেখলেন সেফটি কমিশনার

জোকা-তারাতলা মেট্রোর নিরাপত্তা খতিয়ে দেখলেন সেফটি কমিশনার

সময় কলকাতা ডেস্ক: জোকা-তারাতলা মেট্রোর নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে জোকা মেট্রো স্টেশনে এলেন উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের সেফটি কমিশনার লতিফ খান। কন্ট্রোল রুম থেকে শুরু করে মেট্রোর লাইন এবং অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা পুরোটাই খতিয়ে দেখলেন সেফটি কমিশনার।

জোকা থেকে তারাতলা পর্যন্ত ছয়টি স্টেশন রয়েছে প্রত্যেকটি স্টেশনে গিয়ে যাত্রী নিরাপত্তা থেকে অতি নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরোটাই খতিয়ে দেখবেন তিনি। নভেম্বরের চতুর্থ সপ্তাহ বা ডিসেম্বর থেকেই এই রুটে মেট্রো পরিষেবা চালু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছিল মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত, পুজোর আগেই সাড়ে ৬ কিমি পথে ট্রায়াল রান হয়ে গিয়েছিল। এবার সেফটি কমিশনারের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় এই রুট।

জোকা-তারাতলা সাড়ে ছ’কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে জোকা, ঠাকুরপুকুর, শখেরবাজার, বেহালা চৌরাস্তা, বেহালা বাজার এবং তারাতলা এই ছ’টি স্টেশন। কলকাতা মেট্রোর লাইন-থ্রি বা জোকা-ধর্মতলা রুটের ১৪ কিলোমিটারের মধ্যে সাড়ে ছ’ কিলোমিটারের রুট ফেজ-ওয়ানে এই ভাবেই পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রকল্প নির্মাণের ভারপ্রাপ্ত সংস্থা রেলওয়ে বিকাশ নিগম লিমিটেডের।

২০০৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতির হাতে জোকা-বিবাদিবাগ মেট্রো লাইনের শিলান্যাস হয়। সেসময় ছত্তিশগড় থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছেছিল ইস্পাতের রেল। আরভিএনএল সূত্রে খবর, জোকা ডিপো থেকে মাঝেরহাট পর্যন্ত প্রায় ১০ কিমি লাইন পাতার মতো ইস্পাতও এসে পৌছে গিয়েছিল। কাজও প্রায় শেষ করা গিয়েছিল। কিন্তু, একাধিক জমি সংক্রান্ত জটিলতার জেরে ডেডলাইন পেরিয়ে গেলও বেহালা মেট্রোর পরিষেবা এখনও শুরু করা যায়নি। ২০১৮ সালে মাঝেরহাট সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনা কলকাতা মেট্রোর লাইন-থ্রি প্রকল্পকে আরও পিছিয়ে দেয় বলে দাবি আরভিএনএল-এর আধিকারিকদের।

About Post Author