সময় কলকাতা ডেস্ক,১০ ফেব্রুয়ারিঃ ফ্যাটি লিভার এক জটিলতর রোগ। লিভারে জমা ফ্যাটি লিভার বলা হয়। ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত রোগীর লিভার সিরোসিস থেকে শুরু করে লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা যায়। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এই রোগটি নিয়ে সতর্ক হয়ে যেতে হবে। এই রোগের মূলত দুটি ভাগ রয়েছে। অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ এবং ফ্যাটি লিভার ডিজিজ। জীবনযাত্রা ও ডায়েটের কারণে এই সমস্যা হয়। এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই কয়েকটি খাবার এড়িয়ে যেতে হবে। যেমন-

ডালডা
খাবার খেতে ভালো হওয়ার জন্য অনেকেই খাবারে ডালডা মেশান। তবে এই খাবার খেলে কিন্তু শরীরে খারাপ ফ্যাট জমা হয়। তার থেকেই নানান সমস্যা দেখা দেয়। তাই সতর্ক হয়ে যান। নইলে সমস্যা আরও বাড়বে।

কোল্ড ড্রিংকস
গ্রীষ্মের দিনে অনেকেই কোল্ড ড্রিংকস খেয়ে নিজের জীবন জুড়িয়ে নিতে চান। তবে জানেন কি কোল্ড ড্রিংকসে রয়েছে ভালো পরিমাণে সুগার। এই মিষ্টি কিন্তু শরীরে জমে ফ্যাট হিসাবে। তাই ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত রোগীরা এই পানীয় থেকে দূরে থাকুন।

ঘি ও মাখন
আমাদের বিভিন্ন রান্নায় ঘি ও মাখন ব্যবহার হয়। তবে জানেন কি এই খাবারে রয়েছে স্যাচুরেটেড ফ্যাট। এই স্যাচুরেটেড ফ্যাট কিন্তু লিভারে গিয়ে জমতে পারে। তাই এক্ষেত্রে ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত রোগীদের অবশ্যই ঘি, মাখন এড়িয়ে চলতে হবে।

মদ্যপান
ফ্যাটি লিভারের একটি ধরন রয়েছে মদ্যপানকে কেন্দ্র করে। এক্ষেত্রে বেশি মদ্যপান করলে শরীরে অনেকটা পরিমাণ ক্যালোরি এসে প্রবেশ করে। তখন এই অতিরিক্ত ক্যালোরি শরীরে গিয়ে সমস্যা তৈরি করে ফেলে। এমনকী জমতে পারে লিভারেও। তাই মদ্যপান থেকেও দূরে থাকতে হবে।

ভাজা মিষ্টি
অনেকেই ভাজা মিষ্টি খুব পছন্দ করেন। এমনিতে মিষ্টির মধ্যে সুগারের পরিমাণ থাকে অনেকটাই। এবার সেই মিষ্টিকে যখন আবার ভাজা হয়, তখন আরও একটা সমস্যার কারণ হয় তেল। মিষ্টি এবং তেল এই দুই মিলিয়েই তৈরি হয়ে যায় জটিলতা। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই ভাজা মিষ্টি থেকে দূরে থাকতে হবে।


More Stories
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু
সফল সিজারিয়ান, উৎসবের আগমনে উদযাপন ধুপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে
নিপা ভাইরাস বারাসাতে! আক্রান্ত দুই নার্স! সতর্কতা হিসেবে কী করনীয়?