সময় কলকাতা ডেস্ক,১০ ফেব্রুয়ারিঃ প্রতিদিনই কোনও না কোনও জিনিস খুঁজে পাচ্ছেন না। তাহলে কি আপনার স্মৃতিশক্তিতে একটুআধটু মরচে পড়তে শুরু করেছে? বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা মেমরি নষ্ট হয়েই থাকে। এটা শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। কিন্তু জানেন কি অল্প বয়সেও অনেকের এমনটা হতে পারে? অনেক কাজ একসঙ্গে করা, মানসিক জটিলতা, স্ট্রেস, খাওয়াদাওয়ার হেরফেরের কারণেও কমে যেতে পারে আপনার স্মৃতিশক্তি।

ঘুমের অভাব
সারাদিনের ক্লান্তির পর একটা গভীর ঘুম। সকালে উঠেই একেবারে ঝরঝরে। কিন্তু সবসময় তো এরকম নিয়ম মেনে ঘুম আসে না। সেক্ষেত্রে সকালে উঠে কোন কাজটা জরুরী, কোনটা পরে করলেও চলবে – সব গুলিয়ে যায়। এরকম ঘুমের ব্যাঘাত প্রায়ই ঘটলে, তা থেকে হতে পারে মেমরি লস। ঘুম কম হলে ব্রেনে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় স্মৃতিশক্তিতে তার প্রভাব পড়ে।

খাওয়াদাওয়া
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অভাব, ভিটামিনের ঘাটতি আর অ্যানিমিয়া- স্মৃতিশক্তি দুর্বল করার জন্য এই তিনটিই যথেষ্ট। শরীর গ্লুকোজ ঠিকমতো পাচ্ছে কী না, সেটাও খেয়াল রাখতে হবে। কারণ গ্লুকোজ ব্রেনের প্রধান উপকরণ।

হরমোনের তারতম্য
হাইপোথাইরয়ডিজম মনযোগে বাঁধা সৃষ্টি করে। তাই যাদের এই রোগ রয়েছে, তাদের মন দিয়ে কাজ করতে অসুবিধা হয়। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে ওষুধ খান।

হার্টের সমস্যা
হার্টের অসুখ যাদের রয়েছে, তারাও স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন। রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটলে ব্রেন ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। তাই বয়স ত্রিশ পার হলেই সবার নিয়মিত কোলেস্টেরল লেভেল চেক করা উচিত।

জীবনযাত্রা
খাওয়াদাওয়া, ঘুম আর সারাদিন বসে বসে কাজ। রোজকার এই রুটিন হলে কমে যেতে পারে মনে রাখার ক্ষমতা। শারীরিক পরিশ্রম করলে ব্রেন সতেজ থাকে। ব্যায়াম ব্রেনের নিউরোট্রফিক লেভেল বাড়ায় যা স্মৃতিভ্রম ঠেকাতে সাহায্য করে। তাই যত কায়িক শ্রম করবেন ব্রেনও থাকবে তত অ্যাক্টিভ। বাড়বে মনে রাখার ক্ষমতা।
ষদেরসের


More Stories
ডুয়ার্সে সফল আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প
এনআরএসে রহস্যময় মৃত্যু নার্সের
জীবন বাঁচাতে এসে জলের দেখা নেই, ভোগান্তি ধূপগুড়ি হাসপাতালে