Home » কোচবিহার আদালতের মালখানায় গাঁজার প্যাকেটে মিলল গ্রেনেড! নিষ্ক্রিয় করতে এল সেনাবাহিনী

কোচবিহার আদালতের মালখানায় গাঁজার প্যাকেটে মিলল গ্রেনেড! নিষ্ক্রিয় করতে এল সেনাবাহিনী

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১২ ফেব্রুয়ারি: কোচবিহার পুলিশ উদ্ধার করেছিল গাঁজার প্যাকেট। তা রাখা হয়েছিল কোচবিহার জেলা আদালতের মালখানায়। রবিবার ওই গাঁজার প্যাকেটগুলি পরীক্ষা করতে গিয়েই বেরিয়ে এল হ্যান্ড গ্রেনেড। এরপরই রীতিমতো শোড়গোল পরে যায় কোচবিহার জেলা আদালত চত্বরে। তবে রবিবার ছুটির দিন থাকায় লোকজন কমই ছিল আদালত চত্বরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী। চলে আসে দমকলবাহিনীও। কিন্তু ওই হ্যান্ড গ্রেনেডটি নিষ্কৃয় করার মতো অভিজ্ঞতা না থাকায় ডাকা হয় সেনাবাহিনীকে। তলব পেয়ে কাছেই বিন্নাগুড়ি সেনা ছাউনি থেকে একটি সেনাবাহিনীর একটি দল কোচবিহার আদালতে আসে। এবং মালখানার পাশেই সাগরদিঘির পারে ফাঁকা জায়গায় ওই গ্রেনেডটি নিষ্কৃয় করে তাঁরা। আদালতের মালখানায় কিভাবে হ্যান্ড গ্রেনেড এল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

কোচবিহার জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, তিনদিন আগেই আদালতের মালখানায় এই বিষয়টি নজরে এসেছিল। মালখানায় জমে থাকা বিভিন্ন সামগ্রী পরীক্ষা করার সময়ই গ্রেনডটি লক্ষ্য করেন কর্মীরা। ওই মালখানায় ২৫-৩০ বছর আগে বাজেয়াপ্ত করা জিনিসপত্র আজও মজুদ রয়েছে। সেখানেই বাজেয়াপ্ত করা একটি গাঁজার প্যাকেটে পাওয়া যায় হ্যান্ড গ্রেনেডটি। খবর যায় পুলিশের শীর্ষমহলে। কিন্তু দমকল বা পুলিশের বম্ব স্কোয়াডের কাছে এই ধরণের গ্রেনেড নিষ্ক্রিয় করার প্রযুক্তি না থাকায় সেই সময় কোনও ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। রবিবার সেনার বিশেষজ্ঞদের ডাকা হয় এই গ্রেনেড নিষ্ক্রিয় করতে ডাকা হয়েছিল। এখানেও প্রশ্ন উঠছে, কেন তিনদিন ধরে সক্রিয় গ্রেনেড মালখানায় রেখে দেওয়া হল তা নিয়ে। যদি কোনও বিপদ ঘটতো তাহলে কী হতো?

রবিবার বিন্নাগুড়ি সেনা ছাউনি থেকে সেনাবাহানীর ৬ ইজ্ঞিনিয়ারিং ডিভিশনের ১০ জনের একটি দল কোচবিহার জেলা আদালতে আসেন। তখন সেখানে উপস্থিত বিশাল পুলিশবাহিনী ও দমকলের ইঞ্জিন। এরপর নিরাপদেই ওই গ্রনেডটি নিষ্ক্রিয় করেন সেনা বিশেষজ্ঞরা। সূত্রের খবর, ওই গ্রেনেডটি তৈরি হয়েছিল কেন্দ্রীয় গান অ্যান্ড সেল ফ্যাক্টরিতে। কিভাবে তা বেআইনি গাঁজার প্যাকেটে চলে এল তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কোচবিহার জেলা পুলিশ।

About Post Author