সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ ফেব্রুয়ারি: পাঁচ বছর আগে হাওড়ার সাঁতরাগাছি ষ্টেশনের আধুনিকরণের কাজ শুরু করেছিল দক্ষিণ পূর্ব রেল। সেই কাজ আজও চলেছে। ফলে অধিকাংশ যাত্রীদের ট্রেন ধরতে সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, সাঁতরাগাছি ষ্টেশনের এক নম্বর প্লাটফর্মের দৈর্ঘ্য আর ট্রেনের দৈর্ঘ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য থাকছে। এর জেরেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। এই প্লাটর্ফম ব্যবহারকারী যাত্রীদের অভিযোগ বিকলাঙ্গ কামরা-সহ কয়েকটি জেনারেল কামরা প্লাটফর্মের বাইরে থেকে যায় । তার জেরে প্রতিদিনই নারী-পুরুষ, বয়স্ক বিশেষভাবে সক্ষম যাত্রীদের ট্রেনের পিছেনের দিকের কামরাগুলি থেকে নামতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ।

যাত্রীদের অভিযোগ সাঁতরাগাছি স্টেশনের ১ নম্বর প্লাটফর্ম ছোট হওয়ার কারণে বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেন দাঁড়ানোর সময় প্লাটফর্ম থেকে দুটি বা তিনটি কোচ পিছনের দিকে বেরিয়ে থাকে। বিশেষ করে শালিমার-চেন্নাই করমন্ডল এক্সপ্রেসের মত ২৪ কোচের ট্রেনগুলির ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়, দাবি যাত্রীদের। ওই ট্রেনের যাত্রীরা তাদের মালপত্র সমেত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেললাইনে নামেন । এতে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন যাত্রীরা। যাত্রীদের এই সমস্যার কথা হাওড়ার সংসদ প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কানে পৌঁছেছে। তিনি জানান, পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে বিষয়টি তুলবেন।

তবে দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক আদিত্য কুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, দ্রুত কাজ শেষ করা চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, যাত্রীদের অভিযোগ পেয়েছি। আমরা ঠিক করেছি আপাতত ২২ বা ২৪ কোচের দূরপাল্লার ট্রেনগুলি ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড় করাবো না। পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত বড় ৩ বা ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দূরপাল্লার ট্রেন দাঁড় করানো হবে। কিন্তু হাওড়ার সাংসদ প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন তুলেছেন, এত সময় ধরে কাজ চলছে কেন। তিনি রেলমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি উত্থাপণ করবেন। তাতে যদি কাজ না হয়, তবে লোকসভার অধিবেশনে এই প্রশ্ন তুলবেন। তাঁর দাবি, এর সঙ্গে যাত্রী সুরক্ষার দিকটি জড়িয়ে আছে।


More Stories
গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার দুই কাউন্সিলর
আরজিকর কাণ্ডের আইনি ফাঁসে রচনা
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?