সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ ফেব্রুয়ারি: এবার রাজভবনে দরবার করলেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজভনে গিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করেন ডিএ আন্দোলনকারীদের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। এই দলে ছিলেন তাপস চক্রবর্তী, অনিরুদ্ধ ভট্টাচার্য, দীপল বিশ্বাস ও সন্দীপ ঘোষ। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা। রাজ্য বাজেটে ৩ শতাংশ ডিএ বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন অর্থ দফতরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। কিন্ত রাজ্য সরকারের এই দাবি মানতে নারাজ রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের একাংশ।

এবার রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন তাঁরা। সূত্রের খবর, রাজ্যপালকে তাঁরা ডিএ সংক্রান্ত কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের বর্তমান ফারাক সম্পর্কে অবহিত করেন। তাঁদের দাবিদাওয়ার বিষয়টিও বিস্তারিত জানিয়ে আসেন। এর আগেই অবশ্য আন্দোলনকারীরা নিজেদের দাবি নিয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছিলেন। এমনকি পুরো বকেয়া ডিএ মিটিয়ে না দিলে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকিও দিয়ে রেখেছেন।

এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজভবনে যান রানাঘাটের বিজেপির সাংসদ জগন্নাথ সরকার। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে ৪৫ মিনিট নাগাদ রাজভনে পৌঁছন বিজেপি সাংসদ। আর সাংসদ রাজভবনে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যে রাজভবনে পৌঁছয় ডিএ আন্দোলনকারীদের চার সদস্যের প্রতিনিধি দল। এদিন রাজভবন থেকে বেরিয়ে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ আন্দোরনকারীদের প্রতিনিধি দলকে নিয়েই সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, কাজের ধরণ থেকে শুরু করে কাজের চাপ যদি কেন্দ্রীয় কর্মচারিদের মতোই হয়, তাহলে ডিএ-র ফারাক হবে কেন। একইভাবে এদিন ডিএ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি জানান, বিজেপি রাজ্য সরকারি কর্মীদের সমস্ত দাবিকে সমর্থন করেছে। বিজেপি তাঁদের পাশে আছে। পাল্টা মুখ খোলেন তৃণমূল নেতা তাপস রায়, তিনি বলেন, আদালতের বিচারাধীন বিষয়ে ওরা কিভাবে মুখ খোলেন সেটাই আশ্চর্ষের।


More Stories
আইনি জটিলতা কাটাতে এনসিপিআই-এ মিশে গেলেন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা
“রাজনৈতিক প্রতিহিংসা “, জামিনের আবেদন সুজিত বসুর
কার্যত ভুল স্বীকার করে নিলেন অভিষেক, সুর নরম কল্যাণের, অভিষেক – কল্যাণ বিবাদ মিটল!