Home » হাতি কিন্তু হাতি নয়! মন্দিরে ভিড় তাঁকে দেখতেই

হাতি কিন্তু হাতি নয়! মন্দিরে ভিড় তাঁকে দেখতেই

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৬ ফেব্রুয়ারি: এ হাতি সে হাতি নয়। তাতে কি, ভক্তদের ভিড় তাঁকে দেখতেই। ওজন প্রায় ৮০০ কেজি, দিব্যি কান নাড়ছে, মাথা নাড়ছে, দেখতেও অবিকল হাতির মতো কিন্তু আসল নয় মোটেই। না হেঁয়ালি থাক, এবার আসল কথায় আসি। কেরালার আইরিনজাদাপিল্লি শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরে বসানো হয়েছে একটি রোবট হাতি। তাঁকে ঘিরে কৌতূহলীদের ভিড় কিন্তু চোখে পড়ার মতো।

ওজন ৮০০ কেজি, লম্বায় প্রায় ১০ ফুট। দিব্যি কান, শুড় ও মাথা নাড়ছে। মাঝে মধ্যেই হুঙ্কার ছাড়ছে এই রোবট হাতি। মন্দির কর্তৃপক্ষ নাম দিয়েছে আইরিনজাদাপিল্লি রমণ। একে দেখে কারও সাধ্য নেই বলা যে এটা সত্যিকারের রক্তমাংসের হাতি নয়। যন্ত্রচালিত এই হাতি কাজ করে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে। এক সময় এই মন্দিরে অনেকগুলো আসল হাতি ছিল। তাঁরা ভক্তদের মনোরঞ্জন করতো। কিন্তু পশুপ্রেমী সংগঠন ও আদালতের নির্দেশে তাঁদের সরাতে হয়েছে। এরপরই মন্দির কর্তৃপক্ষের মাথায় আসে এই অভিনব পরিকল্পনা। তাঁরা একটি সংস্থার মাধ্যমে বানিয়ে ফেলে এই অত্যাধুনিক রোবট হাতি। ব্যাস কেল্লা ফতে। এখন এই নকল হাতিই কেরালার আইরিনজাদাপিল্লি শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের মূল আকর্ষণ।

কেরালার বিভিন্ন মন্দিরেই হাতি রাখার চল রয়েছে। তার বিশেষ গুরুত্বও রয়েছে। কিন্তু পশুপ্রেমী সংগঠনগুলি আপত্তি তুলছিল বেশ কয়েকদিন ধরেই। তাঁদের আশা আইরিনজাদাপিল্লি শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের এই উদ্যোগ পথ দেখাবে অন্যান্য মন্দিরকে। যন্ত্রচালিত এই রোবট হাতি কিন্তু আসল হাতির মতোই কাজ করছে। শুড় তুলে ভক্তদের আশীর্বাদ করছে, থেকে থেকে মাথা ও কান নাড়ছে। ফলে চট করে বোঝার উপায় নেই এটি নকল। আগামী দিনে সব মন্দিরেই আসল হাতির জায়গায় এই রোবট হাতির ব্যবহার শুরু হয় কিনা সেদিকে তাকিয়ে পশুপ্রেমী সংগঠনগুলি।

About Post Author