Home » মার্চের শেষেই দিল্লি যেতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

মার্চের শেষেই দিল্লি যেতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১২ মার্চঃ চলতি মাসের শেষেই সংসদে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হতে চলেছে। নবান্ন সূত্রে খবর, সেই সময় দিল্লি সফরে যেতে পারেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির তৎপরতায় রাজ্যে ইতিমধ্যেই একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসতে শুরু করেছে। নাম জড়াচ্ছে বড় বড় রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের। এদিকে তৃণমূল, আরজেডি, আম আদমি দলগুলির মত কিছু আঞ্চলিক দলের দাবি, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগাচ্ছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। এই নিয়েই এবার সরব হতে চলেছেন এই দলগুলির শাসনে থাকা মুখ্যমন্ত্রীরা। যদিও সিপিআইএম সহ বেশ কিছু রাজনৈতিক শিবির বা আঞ্চলিক দল গুলো এই ধরনের বক্তব্য থেকে নিজেদের সরিয়ে রেখেছে। যে সকল রাজ্যে শাসক দলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতি মূলক অপরাধের খবর উঠে আসছে শুধুমাত্র সেই সকল রাজনৈতিক দল এই মুহূর্তে দিল্লিতে একটি বৈঠকের আয়োজন করেছে।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি, সিবিআইয়ের অপব্যবহারের দাবি তুলে রাজনৈতিক বাজার গরম করতে চাইছে তারা। বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের সময়ই দিল্লিতে এই অ-বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীরা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে বৈঠকে বসবেন। আম আদমি পার্টির নেতৃত্বেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর ওই বৈঠকে যোগ দিতেই তিনদিনের দিল্লি সফরে যেতে পারেন মমতা। সূত্রের খবর, আম আদমি পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেস, আরজেডি, এনসিপি সহ মোট নয়টি দল এই বৈঠকে যোগ দিতে পারে। নিউদিল্লির কন্সটিটিউশন ক্লাবে এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতিই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল, তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও, আরজেডি নেতা ও বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব, এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব, শিবসেনা থেকে বিতাড়িত উদ্ধব ঠাকরে, জেকেএনসি নেতা ফারুক আবদুল্লা এবং পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের। পাশাপাশি ওই চিঠিতে শুভেন্দু অধিকারী, হিমন্ত বিশ্বশর্মার মতো নেতাদের বিরুদ্ধে সেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দিয়ে তদন্ত করানোর দাবি জানানো হয়েছে।

About Post Author