Home » সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি

সুপ্রিম কোর্টে ফের পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ মার্চ:  এই নিয়ে পাঁচবার, ফের রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের ডিএ মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে। গত ১৫ মার্চ ডিএ মামলার শুনানি পিছিয়ে ২১ মার্চ অর্থাৎ মঙ্গলবার সময় দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত। ফলে মঙ্গলবার চুরান্ত শুনানির আশায় দিল্লি গিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। কিন্তু এদিনও তাঁদের আশাহত হতে হল। এদিন সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিল আগামী ১১ এপ্রিল এই মামলার শুনানি হবে। ফলে মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে আরও কয়েকটা দিন অপেক্ষা করতে হবে আন্দোলনকারীদের। ধর্মতলায় আন্দোলনরত রাজ্য সরকারি কর্মচারিরাও এদিনের শুনানির দিকে তাঁকিয়ে ছিলেন। সুপ্রিম কোর্টে এদিন শুনানি না হওয়ায় কার্যত হতাশ তাঁরা।

আরও পড়ুন  মমতার পথে এবার তামিলনাড়ুতেও ‘লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার’! কত টাকা পাবেন মহিলারা?

আদালত সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিচারপতিরা ব্যস্ত থাকায় এদিন ডিএ মামলার শুনানি হল না। তবে এবার প্রথম নয়, এর আগেও চারবার এই মামলার শুনানি পিছিয়েছে। মামলাটি বিচারপতি দীনেশ মহেশ্বরী এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের এজলাসে শুনানির কথা ছিল। সুপ্রিম কোর্ট মঙ্গলবার জানিয়েছে, আগামী ১১ এপ্রিল শুনানি হবে। প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ ডিসেম্বর মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। এরপর পরপর চারবার তা পিছিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২১ মার্চ তারিখ থাকলেও তা পিছিয়ে গেল। ফলে চুরান্ত হতাশ হয়েই দিল্লি থেকে ফিরতে হচ্ছে ডিএ আন্দোলনকারীদের।

আরও পড়ুন  বাঙালি পর্যটকদের জন্য সুখবর! পুরীতে তৈরি হচ্ছে বাংলার সরকারি গেষ্ট হাউস

প্রসঙ্গত, গত বছরের মে মাসে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের ৩১ শতাংশ হারে মহার্ঘ্য ভাতা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করেছিল। সেই মামলারই শুনানি ছিল। রাজ্যের দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে কর্মচারিদের ডিএ দিতে গেলে সরকারের অতিরিক্ত ৪১ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। যা রাজ্য সরকারের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। কিন্তু রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের দাবি, ডিএ তাঁদের অধিকার। তা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। হাইকোর্টের নির্দেশের পরও রাজ্য সরকার ডিএ না দেওয়ায় সম্প্রতি আন্দোলনে নেমেছে রাজ্য সরকারি কর্মচারি সংগঠনগুলির যৌথমঞ্চ। ধর্মতলায় শহিদ মিনারের নিচে তাঁরা অনশন আন্দোলন শুরু করেছেন। বাম-কংগ্রেস, বিজেপি-সহ বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দল আন্দোলনকারীদের সমর্থন করছে। এরমধ্যে প্রতীকী ধর্মঘটও করেছে রাজ্য সরকারি কর্মচারি সংগঠনগুলি। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে বারবার শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় সমাধান সূত্র বের হতে দেরি হচ্ছে বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

About Post Author