Home » লাগাতার বালিপাচারে বিপন্ন হরিশ্চন্দ্রপুর

লাগাতার বালিপাচারে বিপন্ন হরিশ্চন্দ্রপুর

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২ এপ্রিল : বালিপাচার নিয়ে সরগরম বঙ্গ। বীরভূমের কয়লা ও গরু পাচার ছাড়াও বালিপাচার কাণ্ডে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল থেকে গোয়েন্দা দপ্তর। বালিপাচার কান্ডে বারবার উঠে এসেছে বীরভূমের অনুব্রত মন্ডলের নাম । অন্যদিকে অভিযোগ উঠছে , মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুরে  এবার বালিপাচারের ঘটনা ঘটছে।নদীর ধার থেকে বালি তুলে অবৈধ ভাবে চলছে লাগাতার পাচারের অভিযোগ ছিলই। বালি মাফিয়াদের কর্মকাণ্ড বিপন্ন করে তুলেছে এলাকাবাসীদের জীবন।রবিবার হরিশ্চন্দ্রপুরের  ঘটনা আবার এই অভিযোগে করল নতুন মাত্রা যোগ।

আরও পড়ুন : পাঞ্জাব ডার্কওয়ার্থ লুইসের নিয়মে কলকাতাকে হারিয়ে জয়ী

রবিবার হরিশ্চন্দ্রপুরের ২নম্বর ব্লকের দৌলতনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত গোবিন্দপুর ঘাটে ফুলহার নদী থেকে প্রকাশ্যে  বালি তোলার অভিযোগ উঠেছে । আরও অভিযোগ,এই সমস্ত কাজটি হয় রাতের গভীরে । রাতের অন্ধকারে শ্রমিকদের কাজে লাগিয়ে বালি কাটার কাজ করায় বালি মাফিয়ারা । স্থানীয়দের বক্তব্য, তাদের নজর এড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে জে সি বি।হরিশ্চন্দ্রপুরের স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অঞ্চলে অনেকদিন ধরেই এই বালি পাচার ও তোলার কাজ হয়। তাদের দাবি, শুকিয়ে যাওয়া নদীর বক্ষ থেকে এভাবে বালি তুলতে থাকলে ধীরে ধীরে গ্রাম জলের তলায় চলে যাবে ।

উল্লেখ্য, ফুলহার নদীর অন্য পাড়ে প্রতিবেশী রাজ্য বিহার। তাই সহজেই মাটি ও বালি কেটে তা পাচার করে দেওয়া হচ্ছে বিহারে। আর সেখানে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এ রাজ্যের মাটি ও বালি ।

রাজনৈতিক মহলেও বালিপাচার নিয়ে চরম উত্তেজনা রয়েছে। পুরো ঘটনার পিছনে শাসক দলের কিছু নেতার হাত রয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপি নেতাদের। বিজেপি জেলা নেতা কিষান কেডিয়ার অভিযোগ , শাসক দলের মদতে এই পাচার কার্য সক্রিয় হচ্ছে। শাসকদল জড়িয়ে আছে তাই প্রশাসন কোনও ভূমিকা নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ তাঁর । অভিযোগের পাল্টা তৃণমূল জানিয়েছে, এভাবে অবৈধভাবে বালি কাটা হলে প্রশাসন নিশ্চিতভাবেই ব্যবস্থা নেবে। স্থানীয়দের অভিযোগ যে পুলিশ, প্রশাসন থেকে শুরু করে ভূমি সংস্করণ দপ্তর পাচারের বিষয়ে ওয়াকিবহাল । তবুও কোনোরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয় না । জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া জানিয়েছেন, তদন্তের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন :উরফির চমক! সাদা ফিতে দিয়ে ঢাকা স্তনবৃন্ত

পদক্ষেপের আশায় দিন গুনছে হরিশ্চন্দ্রপুর। না আঁচালে যে ভরসা নেই- এমনটাই মনে করছেন এলাকাবাসী। পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য না কমলে তাঁদের অস্তিত্ব যে আরও গভীর সংকটে পড়বে তা তাঁদের চেয়ে ভালো আর কে জানে!

About Post Author