সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩ মেঃ কেন্দ্রীয় আর্থিক বঞ্চনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার থেকে টানা ৩২ ঘণ্টার জন্য ধরনায় বসল মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার সকাল ১০টা থেকেই মেয়ো রোডে গান্ধি মূর্তির পাদদেশে ধরনায় তৃণমূলের মহিলা শাখা। ধরনায় বসেছেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মালা রায়,শশী পাঁজা থেকে শুরু করে তৃণমূলের সাংসদ, বিধায়ক ও অন্য নেত্রীরা। বুধবার সকাল ১০ তা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধে ৬টা পর্যন্ত দীর্ঘ ৩২ ঘণ্টা ধরে চলবে ধরনা। আবাস যোজনা থেকে ১০০ দিনের কাজ-সহ নানা প্রকল্পে কেন্দ্র সরকারের কাছ থেকে পাওনা অর্থ থেকে বঞ্চিত হয়েছে রাজ্য। সেই বঞ্চনার পরিপ্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় সরকারকে চাপে ফেলতেই আরও একবার ধরনার সিদ্ধান্ত তৃণমূলের।

এর আগে কেন্দ্রীয় আর্থিক বঞ্চনার প্রতিবাদে গত ২৯ মার্চ আম্বেদকর মূর্তির সামনে ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওইদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফিরহাদ হাকিম ছাড়াও মঞ্চে দেখা গিয়েছে বীরবাহা হাঁসদা, ইন্দ্রনীল সেন, জ্যোৎস্না মান্ডি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, সুজাতা মণ্ডল,অরূপ রায় সহ একাধিক নেতা মন্ত্রীকে। এদিন রেড রোডের মঞ্চ থেকে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়েও বিক্ষোভ দেখান। সেই সঙ্গে কেন্দ্রের বিভিন্ন ইস্যুর বিরুদ্ধে সরব হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রয়োজন পড়লে প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে গিয়ে ধরনায় বসব। সেই হিম্মত আমার আছে। আমি তো জনপ্রতিনিধি।”
আরও পড়ুন বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায় বানিয়ে ফেলুন চিকেন শিঙাড়া

এদিকে এদিনই শহিদ মিনারে সভা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ঠিক তার উল্টো দিকে চলছিল ডিএ আন্দোলেনকারীদের ধরনা। আবার একই দিনে তিলোত্তমার রাজপথে নেমেছিল বাম-কংগ্রেস। ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ করা চলবে না, এই টাকা রাজ্য সরকারকে দিতে হবে। এই ইস্যুকে সামনে রেখেই মৌলালির রামলীলা পার্ক থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করবে বামেরা। আর এই মিছিলে যোগ দেন বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম, সুজন চক্রবর্তীরা।


More Stories
শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জয়প্রকাশ
অভিষেকের দুয়ারে ইডি
ঋতব্রতদের সম্পর্কে কুণাল ঘোষের বক্তব্য কেন তাৎপর্যপূর্ণ?