সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৩ মে : রাতে ঘুমের মধ্যে পায়ের পেশিতে টান ধরার ঘটনা অনেকটাই স্বাভাবিক। এ যে কী অসহ্য যন্ত্রণা, যাঁর হয় সে-ই জানে! পা ধীরে ধীরে ঠিক হলেও অনেক সময় ব্যথা থেকে যায়। মূলত পায়ে খিঁচ ধরার কারণ অনেকক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকা। এই যন্ত্রনা সাধারণত হঠাৎ করেই হয়। এমন ব্যাথা যে নড়াচড়াও বন্ধ হয়ে যায়। যারা দীর্ঘক্ষণ একজায়গায় বসে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে কাজ করেন তাঁদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। পায়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়া বা আমাদের অনিয়মিত ও অস্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া অনেক সময় এই ধরণের সমস্যার জন্য দায়ী । কারও ক্ষেত্রে এই ব্যথা কয়েক মিনিট স্থায়ী হয় আবার কারও ক্ষেত্রে কয়েক সেকেন্ড মধ্যে সেরে যায়, আবার অনেক ক্ষেত্রে পায়ের পেশিতে ব্যথা দীর্ঘ ভোগান্তির কারণ হয় ।

আরও পড়ুন : ধনকুবের রকফেলার ও স্ট্যান্ডার্ড অয়েল কোম্পানি: অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ইতিহাস
বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত ডিহাইড্রেশন, অতিরিক্ত মাদকাসক্তি, পারকিনশন’স ডিজিজ, নিউরোমাসকুলার ডিজঅর্ডার, পায়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ পড়া, কংক্রিটের মেঝেতে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করলে এই ধরণের সমস্যার সৃষ্টি হয়।এছাড়াও খনিজ পদার্থের অভাব থাকলে পেশিতে সমস্যা দেখা দেয়। ইলেক্ট্রলাইট এবং মিনারেলের ঘাটতি হলেও অনেকসময় পেশিতে খিঁচুনি ও টান ধরে।
কিভাবে রেহাই পাবেন পায়ের পেশিতে হওয়া সমস্যা থেকে….
১) পা সোজা করে রেখে হাত দিয়ে পায়ের আঙুলের মাথাগুলো ধরে আপনার দিকে ধীরে ধীরে টানুন।
২) পেশী অতিরিক্তমাত্রায় ফুলে গেলে আইসব্যাগ দিয়ে ঠান্ডা সেঁক দিন।
৩) হাই হিলের জুতো পরা বন্ধ করুন।
৪) রাতে শোওয়ার আগে ঊষ্ণ জলে স্নান করলে,ভালো উপকার পাবেন।
৫) মুভ বা ভিক্স জাতীয় ব্যথানাশক বাম বা জেল ব্যবহার করুন।
৬)ক্র্যাম্প ধরলে হালকা হাতে বা পারলে অল্প সরষের তেল দিয়ে ধীরে ধীরে বৃত্তাকারে মালিশ করুন।
৭) পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় খাবার অর্থাৎ বেশি করে শাক-সবজি খান।
৮) পেশিতে টান ধরা এড়াতে গেলে প্রচুর পরিমানে জল পান করতে হবে।পাশাপাশি ডাবের জল, ফলের রস ইত্যাদি পান করতে পারেন। শরীরে সবসময় জলের জোগান যেন ঠিক থাকে সেদিকে নজর রাখতে হবে।।
আরও পড়ুন : ঝড়ে মঞ্চের আলো নিভে গেলেও শ্রোতাদের ফ্ল্যাশ লাইট গান থামাতে দেয়নি ইমন চক্রবর্তীকে


More Stories
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু
সফল সিজারিয়ান, উৎসবের আগমনে উদযাপন ধুপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে
নিপা ভাইরাস বারাসাতে! আক্রান্ত দুই নার্স! সতর্কতা হিসেবে কী করনীয়?