Home » বন্দুকবাজের হামলায় রক্তাক্ত আমেরিকা, মৃত ২

বন্দুকবাজের হামলায় রক্তাক্ত আমেরিকা, মৃত ২

সময় কলকাতা ডেস্ক,৭ জুনঃ ফের বন্দুকবাজের হামলায় রক্তাক্ত আমেরিকা। আমেরিকার একটি স্কুলে বন্দুকবাজের হানা। এলোপাথাড়ি গুলিতে নিহত ২ জন,আহত ৫। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভার্জিনিয়ার রিচমন্ড এলাকায় একটি স্কুলে সমাবর্তন অনুষ্ঠান চলাকালীন বন্দুকবাজের হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ২ জনের। এই ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে রিচমন্ড পুলিশ। ঘটনার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্কুল চত্বরে। মুহূর্তের মধ্যে স্কুল চত্বর খালি করে দেওয়া হয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার জেরে যেই দুজন মারা গিয়েছে,তাঁরা সম্পর্কে বাবা ও ছেলে। এদিকে, এলোপাথারি গুলিতে আহতদের তড়িঘড়ি স্থানীয় একটি হাসপাতালা ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে পুলিশের তরফে আশঙ্কা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সন্দেহভাজনকারী এক বন্দুকবাজকে গ্রেফতার করে। তবে, এদিন ঠিক কি কারণে এই হামলা,তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।ধৃত ওই বন্দুকবাজকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেই জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে হামলাকারীর বিরুদ্ধে খুন, খুনের পরিকল্পনা সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিচমন্ড পুলিশের অন্তর্বর্তী প্রধান রিক এডওয়ার্ডস।


উল্লেখ্য,কিছুদিন আগেও বন্দুকবাজের হামলায় রক্তাক্ত হয়েছিল আমেরিকা। মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে ঢুকে এক বন্দুকবাজ এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। মার্কিন পুলিশের তরফে জানা গিয়েছিল, ঘটনায় অন্তত পক্ষে ৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল মার্কিন প্রশাসন। জখম হয়েছিল ৭ জন। জখমদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।

আরও পড়ুন    কয়লা পাচার মামলায় মলয় ঘনিষ্ঠ শঙ্কর চক্রবর্তীকে তলব ইডির

বন্দুকবাজের হামলার পরই তড়িঘড়ি কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয় ইউনিভার্সিটি চত্ত্বর। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে কপ্টারের মাধ্যমে চালানো হয়েছিল নজরদারি। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। অন্যদিকে, ঘটনার জেরে হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে বলেই জানা গিয়েছিল। এই বন্দুকবাজের হামলার নেপথ্যে কোনও জঙ্গি সংগঠনের হাত রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে, এখনো পর্যন্ত কোনো সংগঠনের তরফে হামলার দায় স্বীকার করা হয়নি।

About Post Author