সময় কলকাতা ডেস্ক,১৪ জুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের অস্বস্তিতে রাজ্যের শাসক দল। নারদ মামলায় সিবিআইকে চার মাস সময় বেঁধে দিল হাইকোর্ট। সারদা ও নারদা মামলা কেন শীতঘুমে চলে গেল ? মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই প্রশ্ন বারবার তুলেছেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও আদালতের এই নির্দেশ কেবলমাত্র আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের বিরুদ্ধে। এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।
আরও পড়ুন মনোনয়ন ঘিরে আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ভাঙড়,বুধেও মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী

আরও পড়ুন ফের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি মণিপুরে, সংঘর্ষ-গুলিতে মৃত ৯
কয়েক সপ্তাহ আগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে নারদ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত আরামবাগের সাংসদ অপরূপা পোদ্দার জানিয়েছিলেন, তিনি সিবিআইকে চিঠি দিয়ে বলেছেন, তাঁর নাম এই মামলা থেকে প্রত্যাহার করতে। গত আট বছরে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তথ্য মেলেনি বলেও দাবি করেন অপরূপা। বুধবার আদালতে অপরূপা বলেন, সিবিআই এখনও সেই চিঠির কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। সেই প্রসঙ্গেই এদিন আদালত সিবিআইকে চার মাস সময় বেঁধে দিলেন। এরমধ্যেই সিবিআইকে তদন্ত শেষ করতে হবে। নইলে অপরূপা পোদ্দারকে নারদা ঘুষ মামলা থেকে মুক্তি দিতে হবে।

২০১৬-র বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে আগে নারদা স্টিং অপারেশন সামনে আসে। বিজেপি পার্টি অফিস থেকে তা সাংবাদিক বৈঠক করে দেখানো হয়। যদিও শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সেই ফুটেজ গেরুয়া শিবিরের ওয়েবসাইট থেকে ডিলিট করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, তৃণমূল বলতে থাকে সারদা ও নারদা সিবিআই থেকে বাঁচতেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছেন শুভেন্দু। পাশাপাশি সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সুলতান আহমেদদের জীবনাবসান হয়েছে এরমধ্যেই। তবু তদন্ত এগোয়নি। পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, নারদা মামলা একটি সার্বিক তদন্তের বিষয়। এক্ষেত্রে অপরূপার ক্ষেত্রে আদালত চার মাস সময় বেঁধে দিলেও আসলে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকেই কড়া বার্তা দিল হাইকোর্ট।


More Stories
অস্ত্র আইনে তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ দাস গ্রেফতার
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল কেস এবং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দাবি অধীরের
স্বাস্থ্যকর খাদ্য পরিবেশনের পাঠশালা, পড়ুয়া ব্যবসায়ীরা শিখবেন তো?