Home » অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে গেলেন শান্তনু ঠাকুর

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে গেলেন শান্তনু ঠাকুর

সময় কলকাতা ডেস্ক,১৯ জুন: তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এবার  হাইকোর্টে গেলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বনগাঁর বিজেপি বিধায়ক শান্তনু ঠাকুর। তিনি ঠাকুরনগরে মারধরের বিচার চান। ঘটনার সূত্রপাত ১১ জুন। ঠাকুরনগরে মতুয়াধাম বা ঠাকুর মন্দিরে পুজো দিতে আসার কথা ছিল তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই কারণেই রবিবার সকাল থেকে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব মন্দির চত্বর সাজানো শুরু করে। কিন্তু দুপুর গড়াতেই চিত্র পাল্টে যায়। মতুয়াদের একাংশের সঙ্গে বচসা শুরু হয় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের। ভেঙে ফেলা হয় অভিষেকের জন্য তৈরি করা তোরণও।

তৃণমূলের অভিযোগ, এলাকার সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে বিজেপি। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে যায়, যে মূল মন্দিরের ফটক বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এর পরে বিকেলের দিকে ঠাকুরনগর পৌঁছন অভিষেক। কিন্তু মূল মন্দিরের দরজা বন্ধ থাকায় ভেতরেই ঢুকতে পারেননি তিনি। পাশের মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন অভিষেক। এমনকী মতুয়াধামের ঠাকুরবাড়িতে অভিষেকের জন্য তৈরি তোরণ ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে শান্তনু ঠাকুরের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। অভিষেক ঠাকুরনগর ছাড়ার পরই তৃণমূল এবং বিজেপির সংঘর্ষ শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের লোকজনের মারে তাদের বেশ কয়েক জন আহত হন। তৃণমূলও পাল্টা মারধরের অভিযোগ করে। দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। এই অশান্তির জল গড়ায় ঠাকুরনগর হাসাপাতাল পর্যন্তও। অভিযোগ ওঠে, শান্তনুর অনুগামীদের ওপর চড়াও হয়েছে তৃণমূলকর্মীরা। উঠেছে মারধরের অভিযোগও। পুলিশের সামনেই গোটা ঘটনা বলেছে, দাবি করেছেন বিজেপি কর্মীরা।

আরও পড়ুন  খাবার পর পেট গুড়গুড় করে? দেখুন তো এই তিন বিপজ্জনক রোগের কারণ নয় তো?

যদিও বিজেপির এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। তাদের দাবি, বিজেপি কর্মীরাই আক্রমণ করেছেন তৃণমূল কর্মীদের ওপর। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছোন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। তাঁর অভিযোগ, পুলিশ তাঁকেও মারধর করেছে। পাল্টা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকও সুর চড়িয়েছেন। এবার এই কাণ্ডের জেরে হাইকোর্টে গেলেন শান্তনু। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি।

About Post Author