সময় কলকাতা ডেস্ক : আমূলের ” আটারলি বাটারলি ” গার্লকে চেনেন তো? আটারলি বাটারলি মেয়েটি এক হাতে মাখন-মাখানো টোস্ট এবং ঠোঁটে একটি প্রম্পট ওয়ান-লাইনার নিয়ে আমূল গার্ল অর্ধ শতাব্দী সময়ের বেশি ধরে ভারতীয় বিজ্ঞাপনের ভাষ্যকার।আমূলের ‘আটারলি বাটারলি’ মেয়েটির পিছনের মানুষটি আর নেই।নেই সিলভেস্টার ডিকুনহা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ডিকুনহা । সিলভেষ্টার ডিকুনহার প্রয়াণ আমুল ও বিজ্ঞাপন জগতের একটি অধ্যায়ের অবসান।আটারলি বাটারলি মেয়েটিকে চেনে না এমন কোনও ভারতীয় সম্ভবত নেই আর সেই আটারলি বাটারলি নির্মাণের নেপথ্যের অন্যতম প্রাণপুরুষ ডিকুনহা।শুধু তাই নয়, বিগত ৬০ বছর ধরে প্রচারের বিভিন্ন নতুন মাত্রা এনে আটারলি বাটারলি মেয়েটিকে ভারতীয় বিজ্ঞাপন জগতের অন্যতম মুখ করে তোলার নেপথ্যে তিনি
আরও পড়ুন :ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি দুই চিকিৎসকের

১৯৬০ সাল থেকে ডিকুনহা আমূলের সাথে যুক্ত ছিলেন, তিনি তার শিল্প পরিচালক ইউস্টেস ফার্নান্দেসের সাথে আমূল ‘আটার্লি বাটারলি’ গার্ল তৈরি করেছিলেন।আটারলি বাটারলি বিজ্ঞাপনটি ২০১৬ সালে তার ৫০তম বর্ষ উদযাপন করে। ডিকুনহা আগের মাখন ব্র্যান্ডের জন্য ব্যবহৃত “বোরিং ইমেজ”বা ক্লান্তিকর বিজ্ঞাপন পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।ডিকুনহাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল যে ধারণাটি ছিল এমন একটি মেয়ের বিজ্ঞাপনে থাকা যা “ভারতীয় রান্নাঘরে এবং গৃহিণীর হৃদয়ে পথ চলবে ।” আমূল কয়েক দশক ধরে মজাদার এবং টাং-ইন-চেক মোমেন্ট মার্কেটিং বিজ্ঞাপনের সাথে যুক্ত।এই ধরনের প্রথম বিজ্ঞাপনটি ১৯৬৯ সালে হরে কৃষ্ণ আন্দোলনের অনুকরণ করেছিল। ক্যাপশন ছিল “হারি আমুল, হারি হারি “- এখানে হারি বলতে দ্রুত তা বলাইবাহুল্য।মাখন মাখানো টোস্ট হাতে মেয়েটি ভারতীয় বিজ্ঞাপনের ধারণার বাস্তবেই আমূল পরিবর্তন এনে দেয়।
ডিকুনহার প্রয়াণে আমুলের মার্কেটিং বিভাগ থেকে যেরকম দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে, পাশাপাশি শোকের ছায়া নেটিজেন মহলেও।।


More Stories
মেরা কুছ সামান তুমহারে পাশ পড়া হ্যায়, প্রয়াত আশা ভোঁসলে
প্রয়াত কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ আবু হাশেম খান চৌধুরী ওরফে ডালু বাবু
কীভাবে ডুবে মৃত্যু রাহুলের ?