সময় কলকাতা ডেস্ক,২৭ জুন: বয়সের তুলনায় শিশুর ওজন বেশি কিংবা কম, দুটোই চিন্তার কারণ। যেসব বাচ্চা স্থূলতায় ভুগছে,তাদের জন্য বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতাই হলো এসব শিশুদের বড় চিকিৎসা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৭৫ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৫ থেকে ১৯ বছর বয়সি শিশু এবং কিশোরদের মধ্যে স্থূলতার সমস্যা বেড়েছে উদ্বেগজনক ভাবে। তবে জানেন কি দৈনন্দিন জীবনে কিছু নিয়ম মেনে চললেই শিশুকে সুস্থ রাখতে পারা যায়। তাই শিশুকে সুস্থ রাখতে বাড়ির অভিভাবকদেরই নজর দিতে হবে।

নিয়মিত শরীরচর্চা করান
স্কুল, পড়াশোনা,পরীক্ষা সব মিলিয়ে শিশুদের মাঠে দৌড়ঝাঁপ করার সুযোগ একদম থাকেনা বললেই চলে। খেলাধুলো কমে যাওয়ার প্রভাব শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি, শারীরিক দিক থেকেও ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতি দিন অন্তত ৩০ মিনিট যদি শরীরচর্চা করা যায়, তবে অনেকটাই কমে স্থূলতার আশঙ্কা। এক্ষেত্রে সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা কিংবা দৌড়ের মতো অভ্যাসও ব্যায়ামের ক্ষেত্রে সমান কার্যকর।

স্বাস্থ্যকর অথচ হালকা খাবার খাওয়ান
শিশুদের পছন্দের খাবারগুলির মধ্যে চকোলেট, চিপস্, পেস্ট্রি, বিস্কুট এই খাবারগুলি পড়ে। তবে এই ধরনের খাবার একেবারেই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো নয়। বয়সের তুলনায় মাত্রাতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণই হল এই খাবারগুলিই। সেই কারণে অভিভাবকদের সন্তানের খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে বাড়তি খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন আজকের দিনের গুরুত্ব
প্রক্রিয়াজাত খাবার নয়
বাজারজাত ফাস্ট ফুড শুধু স্থূলতা নয়, ডেকে আনতে পারে অন্যান্য গুরুতর অসুস্থতাও। তাই ছোট থেকেই সাবধান হওয়া জরুরি। শিশুদের মধ্যে এই ধরনের খাবার খাওয়ার প্রবণতা বেশি। সুস্থ-সচল থাকতে এই ধরনের খাবারগুলি থেকে শিশুদের দূরে রাখুন।


More Stories
বারাসাতে নিপায় আক্রান্ত নার্সের মৃত্যু
সফল সিজারিয়ান, উৎসবের আগমনে উদযাপন ধুপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে
নিপা ভাইরাস বারাসাতে! আক্রান্ত দুই নার্স! সতর্কতা হিসেবে কী করনীয়?