সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ জুলাই : বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তরভারত। প্রাণ যাচ্ছে বহু মানুষের।দিল্লির পাশাপাশি বর্ষায় বিপর্যস্ত উত্তরপ্রদেশও। রাজ্যের ত্রাণ কমিশনার বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় এই রাজ্যে বৃষ্টি সংক্রান্ত একাধিক ঘটনায় মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে গত কয়েক দিনে উত্তরপ্রদেশে বৃষ্টির কারণে মৃতের সংখ্যা ৫০-এর গণ্ডি পেরিয়ে গেল।একদিকে প্রাণ যাচ্ছে মানুষের, অন্যদিকে বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। মৌসম ভবন থেকে প্রাপ্ত বিবৃতি থেকে বিবৃতি স্পষ্ট করে দিয়েছে মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন :জঙ্গলে খোরাক কম, চা বাগানে ঢুকে পড়ল হাতির দল
উত্তরপ্রদেশের সার্বিক চিত্র রীতিমত আশঙ্কাজনক।সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রামপুর এলাকায় বর্ষায় জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। এ ছাড়া, বালিয়া, মাহোবা এবং ললিতপুর জেলায় পৃথক কয়েকটি ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। সুলতানপুরে সাপের কামড়ে মারা গিয়েছেন আরও এক জন। বদায়ুঁ জেলায় গঙ্গা নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইতে শুরু করেছে। বুন্দেলশহর এবং ফারুখাবাদেও গঙ্গা ভয়ঙ্কর রূপ ধারন করেছে। এ ছাড়া, প্রয়াগরাজে যমুনার জলস্তরও বিপদসীমার কাছাকাছি চলে এসেছে। মথুরায় যমুনা আগেই বিপদসীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় সংলগ্ন নিচু এলাকাগুলি প্লাবিত হয়েছে। মথুরা এবং বৃন্দাবনে রাস্তাঘাট ইতিমধ্যে যমুনার জলের তলায়। গ্রামের পর গ্রাম ভেসে গিয়েছে। বিপুল ক্ষতি হয়েছে চাষের। অনেক শস্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে। প্রশাসনের তরফে দুর্যোগকবলিতদের উদ্ধার করে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের মোট ৭৫টি জেলার মধ্যে ৩২টি জেলাতেই এ বছর মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টাতেও রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একদিকে বৃষ্টির সতর্কতা আর অন্যদিকে বৃষ্টিতে প্রাণ ও সম্পত্তিহানি -সব মিলিয়ে, উত্তরপ্রদেশের মানুষ বিশবাঁও জলে।
আরও পড়ুন : প্রাকৃতিক খামখেয়ালিপনা -বৃষ্টি আর বিশ্ব- উষ্ণায়নের সাঁড়াশি আক্রমণের প্রভাব চা উৎপাদনে


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মোদি ও বিজেপিকে খোঁচা : আগাম জামিন পেলেন নিয়ে নেহা সিং রাঠোর