সময় কলকাতা ডেস্ক,২ আগস্ট: পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশ্নাতির ঘটনায় ‘পিস রুম’ খুলেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এবার রাজ্যের দুর্নীতির অভিযোগ জানতে রাজভবনে ‘অ্যান্টি করাপশন সেল’ খুললেন রাজ্যপাল। দুর্নীতি নিয়ে বারবার সুর চড়িয়েছেন রাজ্যের সাংবিধান প্রধান। এবার শিক্ষা ক্ষেত্রকে দুর্নীতিমুক্ত করতে রাজভবনে খুললেন ‘অ্যান্টি করাপশন সেল’। ওই হেল্পলাইনে ফোন করে দুর্নীতির অভিযোগ জানাতে পারবেন যে কেউ। রাজ্যে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই এই হেল্পলাইন বলে রাজভবন সূত্রে খবর। রাজ্যে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতেই এই হেল্পলাইন বলে রাজভবন সূত্রে খবর। রাজ্যপালের এই নয়া উদ্যোগে রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত যে আরও বাড়ল, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

জানা গিয়েছে,১ অগাস্ট থেকেই এই ‘অ্যান্টি করাপশন সেল’ হেল্প লাইন চালু করেছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সেখানে শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতি সহ রাজ্যে একাধিক দুর্নীতি নিয়ে দশটির মত ফোন এসেছে বলে খবর। এখানে জমা পড়া প্রতিটি অভিযোগে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন কটাক্ষের সুর চড়িয়ে বলেন, ‘রাজ্যপাল নিজের এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ করেছেন। সাংবিধানিক প্রধান হয়ে প্রশাসনিক প্রধানের জায়গা নিতে চাইছেন। এটা উচিত না। কেন্দ্রকে খুশি করতে রাজ্যপাল নিজের চেয়ার এবং রাজভবনকে বিজেপির দফতরে পরিণত করেছেন।’
আরও পড়ুন ১ দিনের কলকাতা সফরে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

প্রসঙ্গত,পঞ্চায়েত ভোটে কোনও রকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না বলেই কড়া বার্তা দিয়েছিলেন রাজ্য সিভি আনন্দ বোস। মনোনয়ন পর্বে রাজনৈতিক অশান্তির সাক্ষী ভাঙড় আর ক্যানিংয়ের পরিস্থিতি পরিদর্শন করে রাজভবনে ‘শান্তিকক্ষ’ খুলেছিলেন রাজ্যপাল। পঞ্চায়েত ভোটে কোনও ধরনের হিংসার পরিস্থিতি তৈরি হলে তা সরাসরি ‘শান্তিকক্ষ’-এর হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে জানাতে বলেছিলেন তিনি। রাজভবনে বসে রাজ্যপাল সরাসরি সমস্ত অভিযোগ শুনবেন এরপর ভোটের হিংসা রুখতে পিস অ্যান্ড হারমনি কমিটি অর্থাৎ শান্তি এবং সম্প্রীতি রক্ষা কমিটিও খুলেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এ ব্যাপারে রাজভবনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছে, ভোট সংক্রান্ত অশান্তি ঠেকাতে রাজভবনে অভিযোগ জানানো যাবে। সেই অভিযোগ পেয়ে রাজ্যপালের তরফে জানানো হবে রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। ভোটের সময় কোনও রকম হিংসা ও দাঙ্গার পরিস্থিতি বরদাস্ত করা হবে না। অভিযোগ পেলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষা কমিটিতে অভিযোগ জানানো যাবে। এই কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি শুভ্র কমল মুখোপাধ্যায়কে।


More Stories
দিল্লি গেলেন অভিষেক
ঔদ্ধত্য,দাম্ভিকতা,অহংকার এবং দুর্নীতিকে মদত -নাম না করে মমতাকে বেনজির আক্রমণ শান্তনু সেনের
শান্তি নেই শ্মশানেও -বঙ্গভূমির করুণ আখ্যান