সময় কলকাতা ডেস্ক,১৬ আগস্ট : যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যুতে কিছু প্রশ্নের পাশাপাশি কিছু রহস্য রয়েই যাচ্ছে। এবার একটি চাঞ্চল্যকর চ্যাট তদন্তে আরও একটি নতুন দিক খুলে দিয়েছে। চাঞ্চল্যকর চ্যাট সামনে আসতেই আরও কিছু নতুন বিষয় সামনে এসেছে । অন্যদিকে, উঠছে বেশ কিছু নতুন প্রশ্ন।

চাঞ্চল্যকর চ্যাট সামনে এসেছে সেখানে দাবি করা হয়েছে, ছাত্রের মৃত্যুর পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে না গিয়ে বৈঠক করা হয়েছিল। সেখানেই ঠিক করা হয়েছিল যে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে। তারপর থেকেই উধাও ২ ছাত্রনেতা। উল্লেখ্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রের রহস্যমৃত্যু নিয়ে তোলপাড় গোটা বাংলা। এখনও পর্যন্ত ৩ জন গ্রেফতার। ঘটনার নেপথ্যে যে ব়্যাগিং, মোটের উপর সে বিষয়ে নিশ্চিত তদন্তকারীরা। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছিল সেই রাতে, তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তা জানতে তদন্ত ও সন্দেহভাজনদের জেরা চলছে। এই পরিস্থিতিতে ভাইরাল দুটি চ্যাটের স্ক্রিনশট। সেখানেই উঠেছে সৈকত সিট ও অরিত্র অন্ত বিহীনের নাম। ভাইরাল চ্যাটে সৈকতকেই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড বলে দাবি করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর চ্যাট অনুযায়ী ওই ছাত্র পড়ে যাওয়ার পরও কিছুক্ষণ বেঁচে ছিল, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাণ হয়তো বাঁচত। কিন্তু সেই সময় কালেক্টিভের অরিত্র ও সৈকত দুজনের নেতত্বে বৈঠক করা হয়। প্রত্যেককে এবিষয়ে কথা বলতে বারণ করা হয়। বলা হয়, হস্টেলের বিষয়, হস্টেল বুঝে নেবে। কারও কোনও কথা বলার দরকার নেই। তারপরই উধাও হয়ে গিয়েছেন সৈকত ও অরিত্র। চ্যাট অনুযায়ী, তাঁদের হদিশ মিলছে না। কোথায় তাঁরা? সত্যিই কি যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যুর নেপথ্যে এই দুই যুবক? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সব মহলে।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, চ্যাটের বিষয়ে এখনও তাঁদের কিছু জানা নেই। এদিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় ধৃতদের মোবাইল ফোনগুলি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাদের তিনটি ফোনে কী তথ্য লুকিয়ে আছে, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।নতুন করে আবার ছজন ধৃত হয়েছে। মোবাইল ফোন আরও কী রহস্য উন্মোচিত করে সেদিকে যেমন নজর থাকছে তেমনই প্রাপ্ত তথ্যের সঙ্গে ধৃতদের বয়ানও মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ চাঞ্চল্যকর চ্যাট নিয়ে খোলসা না করলেও তদন্ত যে থেমে থাকবে না তা বলাবাহুল্য ।সবমিলিয়ে, সার্বিকভাবে বিভিন্ন অনভিপ্রেত ঘটনা যে ছাত্রমৃত্যুতে জড়িয়ে রয়েছে তা প্রমাণ হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।।


More Stories
তারাতলা বিপর্যয় কাণ্ডে ববি হাকিমের গ্রেফতারের দাবি
মৃত্যু মিছিলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ এবং কালীর “কালা কার্তুত!”
গভীর বিপাকে অরূপ বিশ্বাস, খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের