সময় কলকাতা ডেস্ক : মধ্যপ্রদেশ রাজ্যসরকার লিঙ্গ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আরেকবার সহিষ্ণুতা দেখাল। মধ্যপ্রদেশের রাজ্য সরকার এক মহিলা কনস্টেবলকে লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে, মঙ্গলবার একজন উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন। মধ্যপ্রদেশে মহিলা পুলিশের লিঙ্গ পরিবর্তনের ঘটনা যদিও প্রথম নয়।
আরও পড়ুন :প্রয়াত সুলভের প্রতিষ্ঠাতা বিন্দেশ্বর পাঠক
মধ্যপ্রদেশের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বরাষ্ট্র) রাজেশ রাজোরা বলেছেন, রতলাম জেলায় কর্মরতা দীপিকা কোঠারি এইভাবে রাজ্যের দ্বিতীয় মহিলা কনস্টেবল যিনি লিঙ্গ পরিবর্তন করার অনুমতি পেয়েছেন।রাজ্যের স্বরাষ্ট্র বিভাগ সোমবার জারি করা একটি আদেশে বলেছে যে কোঠারির ‘জেন্ডার আইডেন্টিটি ডিসঅর্ডার’ রয়েছে এবং তাকে লিঙ্গ পরিবর্তন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে ।বর্তমানে সরকারি কর্মচারীদের জন্য লিঙ্গ পরিবর্তন করার অনুমতি দেওয়ার জন্য কোনও স্পষ্ট নিয়ম নেই, আদেশে তারও উল্লেখ করা হয়েছে।আইন বিভাগের মতামত নেওয়ার পর এবং সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে। তবে এরমধ্যে একটি বিষয় সংযোজন করা হয়েছে।লিঙ্গ পরিবর্তনের পরে, উক্ত কনস্টেবল কেবলমাত্র মহিলা কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য ও নির্ধারিত সুবিধাগুলি নিতে পারবেন না, আদেশে বলা হয়েছে।
২০২১ সালে, আরতি যাদব নামে অন্য একজন মহিলা কনস্টেবল অনুরূপ অনুমতি পেয়েছিলেন, কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ২০১৮ সালে ২৯ বছর বয়সী কনস্টেবল, ললিতা সালভে, যিনি মহারাষ্ট্রের মারাঠওয়াড়া অঞ্চলের বিড জেলার মাজালগাঁওয়ের বাসিন্দা, মুম্বাইয়ের সরকারি সেন্ট জর্জ হাসপাতালে লিঙ্গ পরিবর্তন করেছিলেন। এই ঘটনাটি ভারতে প্রথম লিঙ্গ পরিবর্তনের শল্য চিকিৎসা যেখানে একজন পুলিশ মহিলা জড়িত ছিলেন। সে সময় ললিতা সংবিধানের ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করেছিলেন যা “সরকারি কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সুযোগের সমতা” সম্পর্কিত। পরবর্তীতে তিনি চাকরিতে ললিত সালভে নাম গ্রহণ করেছিলেন।


More Stories
আবার বাড়ল পেট্রোল, ডিজেলের দাম
কলকাতায় পেট্রোলের দাম লিটারে ৪ পয়সা কমল, ডিজেল বাড়ল ৯৪ পয়সা
পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড হামজা বুরহান খ*তম , কে এই হামজা?