সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩০ আগস্ট : তাঁরা আধ্যাত্মিক চেতনায় বিশ্বাসী যে চেতনা শেখায় আত্মিক বিকাশ।তাঁরা যে ধ্যান বা মেডিটেশনে জোর দিয়ে থাকেন তা দেহের পরিবর্তে আত্মা হিসেবে পরিচয়ের ওপরে জোর দেয়। ৮৭ বছরের প্রাচীন প্রজাপিতা ব্রহ্মা কুমারী সংগঠনের প্রতিটি সদস্য বিশ্বাস করেন সমস্ত আত্মা প্রকৃতিগত ভাবে ভালো। তাই আত্মার বিকাশে প্রতিটি মানুষকে আপন করে নেওয়ার উৎসবে সামিল হয়ে থাকে প্রজাপিতা ব্রহ্মা কুমারী সংগঠন। আর রাখি-উৎসব প্রত্যেককে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে বাঁধার উৎসব। তাই এই উৎসবকে তাঁরা খুব গুরুত্ব সহকারে পালন করে থাকেন। প্রজাপিতা ব্রহ্মা কুমারী ঈশ্বরীয় মহাবিদ্যালয়ে রাখির উৎসবে সামিল হলেন অগণিত মানুষ।
কে নেই প্রীতির বন্ধনে ? জেলা পরিষদের সভাধিপতি থেকে অতিরিক্ত জেলাশাসক, বিধায়ক এবং সাংবাদিক থেকে পুলিশকে রাখি পরিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে প্রজাপিতা ব্রহ্মা কুমারী সেন্টারের ভাই বোনেরা ছিল উৎসবমুখর। প্রতিবছরের মত তাই এবছরও তাঁরা সবাইকে বেঁধেছেন সৌভ্রাতৃত্বের বন্ধনে।
মঙ্গলবার প্রজাপিতা ব্রহ্মা কুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জলপাইগুড়ি শাখার পক্ষ থেকে জলপাইগুড়ি প্রেস ক্লাব এবং থানা, জেলা পরিষদের সভাধিপতি থেকে বিধায়ক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, এলআইসি ডিভিশনাল ম্যানেজার, পুলিশ সহ বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত হয়ে পবিত্র রাখি পূর্ণিমার শুভেচ্ছা সহ হাতে রাখি পরিয়ে মিষ্টিমুখ করানো হয়।জলপাইগুড়ি প্রেস ক্লাবের সম্পাদক সহ অন্যান্য সদস্যদের হাতে রাখি পরিয়ে দেন সংগঠনের পক্ষ থেকে। জাতি,জাতীয়তা, ধর্ম ও লিঙ্গকে অতিক্রম করার উৎসবও ছিল এদিন।।
আরও পড়ুন : মধ্যবিত্তের জন্য সুখবর! একধাক্কায় অনেকটাই কমল রান্নার গ্যাসের দাম


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?