সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৭ সেপ্টেম্বরঃ সম্প্রতি শেষ হয়েছে মুম্বইয়ে ‘ইন্ডিয়া জোটের’ মেগা বৈঠক। এরপর মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ‘ইন্ডিয়া জোটের’ প্রথম জনসভা করার কথা ছিল। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই এই জনসভা করার কথা ঘোষণা করেছিলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেনুগোপাল। শনিবার এই জনসভা বাতিলের ঘোষণা করেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান কমল নাথ। চলতি বছরের নভেম্বর মাসেই বিজেপিশাসিত মধ্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সেখানে বিরোধী জোটের মেগা বৈঠক হলে তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হত বলেই মনে করেছিল রাজনৈতিক মহল। যদিও বিরোধী জোটের জনসভা বাতিল নিয়ে কটাক্ষ করেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

এদিন তিনি বলেন, ‘ওরা সনাতন ধর্মকে অপমান করেছে। মধ্যপ্রদেশের মানুষ কোনওদিন সনাতন ধর্মের অপমান মেনে নেবে না সেই বিতর্কের আঁচ এড়াতেই এই সভা বাতিল করা হয়েছে। বিরোধী নেতৃত্বের কোনও শক্তি নেই। তারা নিজেদের মধ্যেই লড়াই করে। পোস্টারে কার ছবি আসবে আর কার ছবি আসবে না সেটা নিয়ে লড়াই চলতে থাকে।’ গত বুধবারই এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের দিল্লির বাংলোয় বসেছিল ‘ইন্ডিয়া’ জোটের প্রথম সমন্বয় কমিটির বৈঠক। এই বৈঠকে শুধুমাত্র সমন্বয় কমিটি এবং নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত কমিটির সদস্যেরা যোগ দেন। বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের চতুর্থ বৈঠকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি দলগুলির মধ্যে আসন ভাগাভাগি নিয়েও প্রাথমিক স্তরে আলোচনা হয়েছিল। ১৪ সদস্যের বৈঠকে ৪৫০টি আসনের প্রসঙ্গ ওঠে বলেই অসমর্থিত সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল। ওইদিনই ‘ইন্ডিয়া’র প্রথম জনসভার দিনক্ষণ এবং স্থান নির্ধারিত হয়। জানা গিয়েছিল, মধ্যপ্রদেশেরর ভোপালে ‘ইন্ডিয়া জোটের’ প্রথম জনসভা হবে।
আরও পড়ুন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ‘অসহযোগিতা’র অভিযোগ, কেন্দ্রের কাছে হলফনামা তলব কলকাতা হাইকোর্টের

প্রসঙ্গত, এর আগে ৩১আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বর, এই দু’দিন মুম্বইতে বিরোধী জোটের মেগা বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন উদ্ধব ঠাকরে এবং শরদ পওয়ার। আয়োজকের তালিকায় নাম ছিল কংগ্রেসও। এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল মুম্বইয়ের সান্তাক্রজ এলাকার বান্দ্রা কুর্লা রোডের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে। জোটের বার্তাবাহী ‘জুড়েগা ভারত, জিতেগা ইন্ডিয়া’ নামের স্লোগানও চালু করা হয়। ওই বৈঠকে আঞ্চলিক স্তরের বোঝাপড়া নিয়েও কথা হয়। মুম্বইতে ইন্ডিয়া জোটের তৃতীয় বৈঠকে ১৪ সদস্যের কো-অর্ডিনেশন কমিটিও গঠন করে ‘ইন্ডিয়া’। জানা গিয়েছে, এই কমিটিই আপাতত জোটের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারকের ভূমিকা পালন করবে। এই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ২ অক্টোবর গান্ধি জয়ন্তীর দিন জোটের ইস্তাহার প্রকাশ করে দেওয়া হোক। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে সব দলকে অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচি প্রকাশের বিষয়ে মতামত জমা করার পরামর্শ দেন।


More Stories
কলকাতা-হিমাচল সরাসরি ট্রেন চালু, বাংলা পর্যটকদের জন্য নতুন সুবিধা
“সুখেন্দু শেখরের পথ নিন, দল ও পদ ছেড়ে প্রতিবাদ করুন”
তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের ভাবমূর্তি সমূলে ধ্বংস করে বড় জয় বিজেপির