Home » কেনিয়ার কুখ্যাত খুনী চেমিরমির মার্কিন জেলে খুন

কেনিয়ার কুখ্যাত খুনী চেমিরমির মার্কিন জেলে খুন

সময় কলকাতা, ২০ সেপ্টেম্বর : টেক্সাসের জেলে বন্দী কুখ্যাত অপরাধী বিলি চেমিরমির জেলেই খুন হয়ে গিয়েছে। দুই বয়স্কা মহিলাকে খুনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত বিলি চেমিরমিরকে আরেক জেলবন্দী জেলেই খুন করে।

বিলি চেমিরমির কেনিয়াজাত কুখ্যাত খুনে ও সিরিয়াল কিলার। গত বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দুজন বয়স্কা খুনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয় চেমিরমির । আরও কুড়িটি খুনের সঙ্গে তার যোগসাজস ছিল।

টেক্সাসের ফৌজদারি বিচার বিভাগের মুখপাত্র হান্না হ্যানি বলেছেন, ৫০ বছর বয়সী বিলি চেমিরমির যাকে গত বছর দুই মহিলাকে হত্যার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, গ্রামীণ পূর্ব টেক্সাসের একটি কারাগারে তার সেলে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।হ্যানির মতে, তাকে তার সেলের সঙ্গী হত্যা করেছিল। তার নাম জানা না গেলেও ওই কারাসঙ্গী হত্যার অপরাধে কারাগারে সাজা ভোগ করছেন।

টেক্সাসের ১০০টি কারাগারে  রাজ্যব্যাপী লকডাউন করার দু-সপ্তাহ বাদে চেমিরমিরের হত্যার ঘটনা সামনে এসেছে। জেলে সুবিধা দেওয়া সত্ত্বেও হত্যার সংখ্যা বেড়েছে বলেই নতুন ভাবনা নেওয়া হয়।কারাগারের কর্মকর্তারা বলেছেন যে হত্যাগুলি মাদকের সাথে সম্পর্কিত।অপরদিকে হ্যানির সাংবাদিক সম্মেলনে সেলমেটের নাম যেমন প্রকাশ করা হয় নি ,ঠিক একইভাবে কীভাবে চেমিরমিরকে হত্যা করা হয়েছিল বা কী কারণে হত্যা করা হতে পারে তাও খোলসা করা হয় নি।

হত্যার খবর পেতেই নিহত মহিলাদের পরিবারের সদস্যরা এ খবরে হতচকিত হলেও স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। চেমিরমিরের অপরাধের শিকার ৯২ বছর  ডরিস গ্লিসনের মেয়ে শ্যানন ডিওন  একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে, চেমিরমির কখনই শান্তির প্রতীক ছিল না। শ্যাননের মত অনেকেই জানিয়েছেন যে, টেক্সাস, ডালাস এবং আশেপাশের শহরগুলিতে মৃত্যুগুলি প্রবল আতঙ্ক তৈরি করেছিল চেমিরমির।

২০১৮ সালের হামলায়  ৯১ বছর এক বয়সী মহিলার ওপরে হামলার পরে বেঁচে যাওয়ার পরে চেমিরমিরকে পাকড়াও করা হয়েছিল এবং তিনি পুলিশকে বলেছিলেন যে একজন ব্যক্তি বয়স্কদের বসবাসের অ্যাপার্টমেন্টে  জোরপূর্বক ঢুকে পড়েছিল , তাকে বালিশ দিয়ে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করেছিল এবং তার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়। ৮১ বছর বছর বয়সী লু থি হ্যারিসের মৃত্যুর সাথেও যোগ ছিল চেমিরমিরের।

আরও পড়ুন রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্যের সংঘাত, টানাপোড়েনে জিতেও বিধায়ক পদে শপথ নিতে পারছেন না ধূপগুড়ির জয়ী প্রার্থী

চেমিরমির গ্রেফতার হওয়ার পরে , পুরো এলাকা জুড়ে পুলিশ মৃত্যুগুলি পুনরায় তদন্ত করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সংখ্যা বাড়তে থাকে । ভুক্তভোগীদের অনেকেই বলেছে যে তারা হতাশ হয়ে পড়েছিল। অবশেষে চেমিরমির দোষী সাব্যস্ত হয়ে যায়।

আরও পড়ুন আইভরি কোস্টে অজানা রোগে সাতজনের মৃত্যু

About Post Author