সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৫ সেপ্টেম্বর: চীনের দক্ষিণাঞ্চলে একটি কয়লা খনিতে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। ভূপৃষ্ঠের নীচে এই কয়লা খনি থাকার কারণে খনির মধ্যেই জীবন্ত দগ্ধ হয়ে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। রবিবার মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে চিনের দক্ষিণ-পশ্চিমের গুইঝো প্রদেশের পানঝাউ শহরে। জানা গিয়েছে, চিনের রাজধানী বেজিং থেকে ৩,৬০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে পানঝাউ শহরের গুইঝো প্রদেশের শানজিয়াওশু কয়লাখনিটি অবস্থিত। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এদিন স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ১৫ মিনিট নাগাদ কয়লা খনিটিতে আগুন লাগে। তখন ওই খনির ভিতরে কমপক্ষে ১৬ জন কর্মী ছিলেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়।

তবে, ওই ১৬ জন কর্মী জীবন্ত দগ্ধ হওয়ার কারণে তাঁদের শনাক্ত করার মত কোনও চিহ্ন মেলেনি। কনভেয়ার বেল্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে পানঝাউ প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। চীন হল বিশ্বের বৃহত্তম গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী। সাম্প্রতিক সময়ে বায়ু এবং সৌর শক্তির ক্ষমতার ব্যাপক প্রসার থাকা সত্ত্বেও দেশটি বিদ্যুতের জন্য কয়লার উপর প্রচুর নির্ভর করে চলেছে। ইতিমধ্যেই চীনের কয়লা খনিকর্মীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কাঠামো উন্নতি করা হয়েছে। এমনকী অনেক প্রোটোকলও মানা হচ্ছে। এতকিছুর পরেও কয়লা খনি কর্মীদের কেন মৃত্যু ঘটছে? তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন।
আরও পড়ুন ভারী যান ওঠায় গুজরাটে ভেঙে পড়ল সেতু, জলের স্রোতে ভেসে গেল ১০ জন

প্রসঙ্গত, গত আগস্ট মাসেই উত্তর চিনের শাংসি প্রদেশে একটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে ৯ জনেরই খনির ভিতরে আটকে থাকার কারণে মৃত্যু হয়েছে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে চিনের উত্তরাঞ্চলে মঙ্গোলিয়া অঞ্চলে একটি কয়লাখনিতে আচমকাই ধস নামে। সেই ঘটনায় বহু মানুষ ও বহু গাড়ি ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে যায়। সাম্প্রতিককালে চিনে খনিগুলির নিরাপত্তার উন্নীত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তারপরেও কয়লা খনিতে দুর্ঘটনার খবরে প্রায়ই এই খনি শিল্পের নাম উঠে আসে।


More Stories
“সকল চুক্তির জননী ” – ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি
মানুষের কাজকর্ম হয়ে যাবে ঐচ্ছিক, কেন বলছেন ইলন মাস্ক!
এবার সেনাবাহিনীর কনভয়ে হামলা! হামলা চালালো বালোচ বিদ্রোহীরা, ৯০ জন পাকসেনার মৃত্যু!