অর্কজ্যোতি বন্দোপাধ্যায়, পুরন্দর চক্রবর্তী ও বাপন তাঁতি, সময় কলকাতা, ৩ অক্টোবর: নেই ভালো খেলার মাঠ, তবু ফুটবল নিয়ে উন্মাদনায় খামতি নেই। এরকমই চিত্রের দেখা মিলল বারাসাতের আরিফবাড়িতে আয়োজিত ফুটবল উৎসবে। আরিফবাড়ির আজাদ স্পোর্টিং ক্লাবের পরিচালনায় একদিনের নকআউট ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।বিগত অনেকগুলি বছর ধরে এই প্রতিযোগিতা চলে আসছে। তবে করোনার জন্য কয়েক বছর বন্ধ ছিল। সোমবার মিনিবারের দিবারাত্রি ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল মোট ১৬ টি দল। ফাইনালে ভাই ভাই চিকেন সেন্টারকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বি এম মুদি ভান্ডার।বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে মাঠের পাশে ভিড় জমিয়ে ফুটবলের আনন্দ উপভোগ করলেন স্থানীয়রা।

সামগ্রিকভাবে, দর্শকদের আনন্দের পাশাপাশি তাৎপর্যপূর্ণ দিক নতুন প্রতিভার বিকাশ। আর এই মিনি টুর্নামেন্ট নতুন প্রতিভার বিকাশের পথ সুগম করে তুলেছে বলাই বাহুল্য। শুধু এই টুর্নামেন্টটি নয়, জেলার বিভিন্ন প্রান্তে এরকম টুর্নামেন্ট যোগান দেয় ভবিষ্যতের তারকাদের। মাথায় রাখতে হবে বারাসাত সাব ডিভিশন থেকে এর আগেও বহু তরুণ প্রতিভা উঠে এসেছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম শিল্টন পাল, অসীম বিশ্বাস। বর্তমানে ময়দান কাঁপাচ্ছেন বারাসাতেরই এক তরুণ প্রতিভা দীপ সাহা। এছাড়াও বহু উদীয়মান খেলোয়াড় রয়েছেন যাদের মঞ্চ প্রস্তুত করে দিচ্ছে এরকম টুর্নামেন্ট। একথাও ঠিক, উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে এবং সঠিক মাঠ না পাওয়ায় এই প্রতিযোগিতাগুলি যেমন আরও উৎকৃষ্ট মানের হয়ে ওঠে না, তেমনই চোট আঘাতের সমস্যায় ভুগতে থাকে ফুটবলাররা। ফুটবলারদের চোট আঘাত পাওয়া যে বড় সমস্যা তা বলাই বাহুল্য। তাদের প্রতিভার বিকাশে বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায় চোট আঘাত। আর এরই প্রভাব পড়ে যুব সমাজের মধ্যে।

আরও পড়ুন: পেনাল্টি মিস করেও জোড়া গোল, মোহনবাগানের মাজিয়া জয়ের নায়ক কামিংস
ক্রমেই আউটডোর খেলাগুলিতে আগ্রহ হারাচ্ছে যুব সমাজ। যুব সমাজের মধ্যে ফুটবল নিয়ে আগ্রহ বাড়াতে এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। যদিও তাঁদের আফসোস, এলাকায় খেলার উপযোগী একটিও ভালো মাঠ নেই। ফলে অকালে হারিয়ে যাচ্ছে অনেক প্রতিভা। খেলার মাঠ ও ন্যূনতম পরিকাঠামোর জন্য স্থানীয় ও রাজ্য প্রশাসনের কাছে দরবার করেছেন বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। মিলেছে খেলার মাঠ ও পরিকাঠামো মেলার আশ্বাস।আগামীদিনে এই টুর্নামেন্টকে আরও বড় আকারে করার ইচ্ছার কথাও জানাতে ভোলেননি আয়োজকরা।


More Stories
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে
চেন্নাইয়ানকে হারিয়ে মোহনবাগানকে টপকে ইস্টবেঙ্গল তিন নম্বরে
কেকেআর-কে হারালেন, কে এই মুকুল চৌধুরী ?