Home » সংসদকাণ্ডের জের, এমপিদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন স্পিকার ওম বিড়লার

সংসদকাণ্ডের জের, এমপিদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন স্পিকার ওম বিড়লার

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৭ ডিসেম্বরঃ সংসদে শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন লোকসভায়  দুষ্কৃতী হামলার ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে মূলচক্রী ললিত ঝা! বুধবার পুলিশ পাঁচজনকে হেফাজতে নিলেও ললিতের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত দেড়দিন পর রাজধানী দিল্লি থেকেই গ্রেফতার করা হয় ললিতকে। সংসদকাণ্ডের থেকে শিক্ষা পেয়ে এবার সংসদ চত্বরের সুরক্ষার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করতে আরও একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন স্পিকার ওম বিড়লা। বিষয়টি জানিয়ে এবার সংসদের সকল সদস্যকে চিঠি দিলেন তিনি। ওম বিড়লা জানিয়েছেন, সেই উচ্চ পর্যায়ের কমিটি শীঘ্রই রিপোর্ট পেশ করবে এবং সেই রিপোর্ট সাংসদদের পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সংসদ চত্বরের নিরাপত্তা দেখভালের দায়িত্ব সাংসদদের উপরেও বর্তায় জানিয়ে বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করারও বার্তা দিয়েছেন স্পিকার। 

আরও পড়ুন     রাজ্যের নতুন অ্যাডভোকেট জেনারেল হলেন কিশোর দত্ত

উল্লেখ্য, লোকসভায় সম্প্রতি ১৪ সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সংসদে তাণ্ডবের ঘটনার কোনও যোগ নেই বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন স্পিকার ওম বিড়লা। গত ১৩ ডিসেম্বরের ঘটনাটিকে দুর্ভাগ্যজনক তকমা দিয়ে চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘১৩ ডিসেম্বর সংসদে যা ঘটেছে, তার সঙ্গে সাংসদদের সাসপেন্ড করার ঘটনাটি জুড়ে দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক।’ এ প্রসঙ্গে স্পিকার আরও জানিয়েছেন, অধিবেশন কক্ষে সাংসদদের অশালীন ব্যবহারের প্রশংসা করে না দেশবাসী। সংসদের শৃঙ্খলা ও সম্মান রক্ষার্থেই সাংসদদের সাসপেন্ড করা হয়েছে জানিয়ে সাংসদদের প্রতি স্পিকারের বার্তা, আশা করি, ভবিষ্যতে সংসদের গরিমা ও মর্যাদাকে গুরুত্ব দেবেন সাংসদরা।

আরও পড়ুন   মুখোমুখি সংঘাতে বিপদ, দাম্পত্য জীবনে সুখ বৃদ্ধি! জানুন রাশিফল

চিঠিতে স্পিকার আরও লিখেছেন, অতীতেও সংসদে দর্শকদের পিস্তল নিয়ে গ্যালারিতে ঢোকা, শ্লোগান দেওয়া, লিফলেট ছড়ানো, এমনকি সাংসদদেরও পিপার স্প্রে নিয়ে ঢোকার নজিরও রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংসদ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামগ্রিকভাবে সাংসদদের সহযোগিতা ও সমর্থনের আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার ওম বিড়লা। প্রসঙ্গত, গত বুধবার লোকসভার অধিবেশন চলাকালীন দর্শকদের বসার গ্যালারি থেকে আচমকাই নিচে ঝাঁপ দিয়েছিলেন দুই যুবক-যুবতী। জুতোর ভিতর থেকে স্মোক ক্যানিস্টার বের করে হলুদ ধোঁয়ায় গোটা লোকসভা ভরিয়ে দিয়েছিলেন তারা। মুখে ছিল স্লোগান, “তানাশাহী নেহি চলেগা”। সেই একই সময় অধিবেশন কক্ষের বাইরে থেকেও স্লোগান দিতে দিতে রঙিন গ্যাস স্প্রে করছিলেন আরও কয়েকজন। ললিত ঝা ছিলেন এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড। ঘটনায় মোট ৬ জন জড়িত ছিল বলে জানায় পুলিশ। তাদের মধ্যে ৫ জনকে বুধবারই গ্রেফতার করা হয়েছিল।

About Post Author