সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৮ ডিসেম্বরঃ চারদিনের সফরে রবিবারে দিল্লি গিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নয়াদিল্লি সফরে পৌঁছেই সোমবার দুপুরে তৃণমূলের সংসদীয় দলের বৈঠক ডাকলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ নয়াদিল্লির চাণক্যপুরীর নতুন বঙ্গভবনে ওই বৈঠক ডাকা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এদিনের বৈঠকে থাকার কথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। এর পাশাপাশি মঙ্গলবার ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকে যোগ দেবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন অপ্রত্যাশিত উপহার পাবেন, কর্মক্ষেত্রে অশান্তি! পড়ুন রাশিফল
রাজ্যের বকেয়া টাকা আদায়ের জন্য বুধবার সকাল ১১টায় কয়েক জন সাংসদকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন বলে জানান মমতা। যদিও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘টাকা আদায় করতে যাচ্ছেন না কি পা ধরতে যাচ্ছেন। পা ধরে কোনও লাভ হবে না।’ জানা গিয়েছে, ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি শরিকদের সঙ্গে আলাদা আলাদা করেও সাক্ষাৎ করতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা। ১৮, ১৯, ২০ ডিসেম্বর এই জোটের বৈঠক ডাকা হয়েছে। আগামী লোকসভা নির্বাচনের রূপরেখা তৈরি করতেই এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। আসন সমঝোতা নিয়েও এই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে। আগামী ২১ তারিখ কলকাতায় ফিরবেন তৃণমূল নেত্রী।
আরও পড়ুন SAvIND: বল হাতে দুরন্ত অর্শদীপ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে এক দিনের ম্যাচে দাপুটে জয় ভারতের
মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছেন, ‘কেন্দ্র রাজ্য সরকারকে কার্যত আর্থিক অবরোধের মুখে ফেলেছে। ১০০ দিনের কাজের টাকা দিচ্ছে না, বাংলার বাড়ির টাকা দিচ্ছে না, স্বাস্থ্য মিশনের টাকা দিচ্ছে না। আমরা ওদের টাকা চাইছি না। বাংলার প্রাপ্য টাকার ভাগ চাইছি। সেটাও দিচ্ছে না। এসব নিয়ে কথা বলতে আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবো।’ জোটের বাইরে গিয়েও মমতা অন্যান্য বিজেপি বিরোধী অকংগ্রেসি আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করতে পারেন বলে বিশেষজ্ঞদের মত। লোকসভা ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে এটাই সংসদীয় দলের শেষ বৈঠক হতে চলেছে। এখন দেখার এদিনের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দেন।


More Stories
সাধের পেঁয়াজ সাধ্যের বাইরে! কবে দাম কমবে?
শাবকহারা উদ্বিগ্ন-উন্মত্ত মা গন্ডারের মৃত্যু ফালাকাটায়
গজরাজদের খিদে পায়, হাতি কাহা কাহা চলে !