সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ জানুয়ারিঃ রাত পোহালেই মাহেন্দ্রক্ষণ। রবিবার রাত থেকে শুরু মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নান। মকর সংক্রান্তির পুণ্য তিথিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় জমেছে এই গঙ্গাসাগর মেলায়। গঙ্গাসাগরে বেড়েই চলেছে মানুষের ঢল। বাবুঘাটের ট্রানজিট ক্যাম্পে একটু বিশ্রাম নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ছেন গঙ্গাসাগরে আগত পুণ্যার্থীরা। সব রকম ব্যবস্থাপনা শেষ। এসবেই মাঝেই ঘটে গেল দুর্ঘটনা। গঙ্গাসাগরে আগত তিন সাধুর ওপর শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় শোরগোল বাংলায়। কাশীপুরে আক্রান্ত হন উত্তরপ্রদেশের বেরিলি থেকে আগত তিন সাধু। অভিযোগ, ভাঙচুর করা হয় তাঁদের গাড়ি। গুজবের জেরে ওই তিন সাধু আক্রান্ত হন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। ওই তিন সাধুর আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি।
আরও পড়ুন দেশের দীর্ঘতম অটল সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে কাশীপুরে গিয়ে থানা থেকে তিন সাধুকে নিজের বাসভবনে নিয়ে যান পুরুলিয়ার সংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। শনিবার তাঁদের পুরুলিয়ার চকবাজারের বড় কালী মন্দিরে নিয়ে গিয়ে সসম্মানে গঙ্গাসাগরের উদ্দেশ্যে পাঠানো হবে বলে জেলা বিজেপি সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বেরিলির বাসিন্দা ওই তিন সাধু একটু গাড়িতে করে গঙ্গাসাগরের উদ্দেশ্যে বার হয়েছিলেন। রাঁচির জগন্নাথ মন্দির দর্শন করার পর পুরুলিয়া হয়ে তাঁরা গঙ্গাসাগরের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
কাশীপুরের কাছে গুজবের জেরে তাঁরা স্থানীয় কয়েকজন মানুষের হাতে আক্রান্ত হন। তাঁদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পর জেলা বিজেপি আইন শৃঙ্খলা নিয়ে সরব হয়। মাফিয়াদের কাছে সাধু সন্তরাও নিরাপদ নন বলে দাবি করেন সাংসদ। জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া অবশ্য এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। সাধুদের পুলিশ রক্ষা করেছে বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনায় ইতিমধ্যেই কাশিপুর থেকে ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার এবং ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।


More Stories
আষাঢ় পূর্ণিমা বা গুরুপূর্ণিমার উদযাপন কেন শ্রাবণে?
অহংকার মমতার পতনের কারণ বললেন জগন্নাথ দয়িতাপতি
অভিষেকের উপর হামলার নেপথ্যে কারা?